- A তাদের সাথে নিয়মিত বই পড়া
- B শুধুমাত্র স্কুল শিক্ষকদের উপর নির্ভর করা
- C টেলিভিশন ও ভিডিও গেম বেশি খেলতে দেওয়া
- D ভাষাগত ভুল এড়িয়ে চলতে বলা
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
সন্তানদের স্পষ্টভাষী হওয়ার অন্যতম কার্যকর উপায় হলো তাদের সাথে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। শিশুরা যখন অভিভাবকদের কাছ থেকে শব্দ শেখে এবং বইয়ের মাধ্যমে নতুন নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হয়, তখন তাদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত উচ্চস্বরে বই পড়লে শিশুদের শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি পায় এবং তারা দ্রুত স্পষ্টভাবে কথা বলতে শেখে। পাশাপাশি, শিশুরা যখন গল্প শুনে এবং তা পুনরাবৃত্তি করতে শেখে, তখন তাদের বাক্য গঠনের ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। তদ্ব্যতীত, শিশুকে প্রশ্ন করা, তাদের মতামত জানতে চাওয়া এবং তাদের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, যা স্পষ্টভাবে কথা বলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, শুধুমাত্র স্কুল শিক্ষকদের উপর নির্ভর করলে শিশুর ভাষা শিক্ষার গতি কমতে পারে, কারণ শিশুরা অধিকাংশ সময় পরিবারের সাথে কাটায়। একইভাবে, অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা এবং ভিডিও গেম খেলা শিশুদের ভাষাগত বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ এতে তারা বাস্তব কথোপকথনের সুযোগ কম পায়। উপরন্তু, যদি শিশুকে শুধু ভাষাগত ভুল না করতে বলা হয় এবং তাদের নিজস্বভাবে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তবে তারা আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে পারে এবং তাদের স্পষ্টভাবে কথা বলার ক্ষমতা উন্নত হয় না। তাই, শিশুকে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের সাথে বেশি বেশি আলোচনা করা তাদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুরা ভাষা শেখার ক্ষেত্রে পরিবেশ থেকে সবচেয়ে বেশি শিক্ষা গ্রহণ করে। তারা যখন বড়দের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে, তখন নতুন শব্দ শিখতে পারে এবং তাদের নিজস্ব ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা যদি পিতামাতা ও শিক্ষকদের কাছ থেকে শুদ্ধ ও স্পষ্ট ভাষা শুনতে পায়, তবে তাদের নিজস্ব কথাবলার দক্ষতাও স্পষ্ট হয়। অন্যদিকে, ভাষাগত ভুলের জন্য কঠোর শাস্তি দিলে শিশুদের মধ্যে ভীতি তৈরি হতে পারে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং তারা খোলাখুলি কথা বলতে সংকোচ বোধ করে। শুধুমাত্র টিভি দেখার মাধ্যমে ভাষাগত দক্ষতা গড়ে ওঠে না, কারণ এতে দুই-দিকে মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকে না। নতুন শব্দ শেখার প্রতি উদাসীনতা শিশুর ভাষাগত বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই, শিশুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া তাদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নত করার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
তাদের সাথে বেশি বেশি কথা বলা
যেখানে তারা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে