- A ভয় পাওয়ার অনুভূতি
- B আত্মবিশ্বাসের অভাব
- C বিপদের মুখে দৃঢ়তা দেখানো
- D সবসময় ঝুঁকি এড়িয়ে চলা
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
সাহস হল এমন একটি গুণ যা একজন ব্যক্তিকে ভয় ও অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। সাহস শুধু শারীরিক নয়, বরং এটি মানসিক, নৈতিক ও আবেগিক বলিষ্ঠতার প্রতীক। ইতিহাসে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি সাহসের মাধ্যমে সমাজে পরিবর্তন এনেছেন। উদাহরণস্বরূপ, মহাত্মা গান্ধী অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, যা প্রচলিত অর্থে যুদ্ধ নয়, বরং নৈতিক শক্তির প্রতিফলন। সাহস আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে, যেখানে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হয়। এটি কেবল বিপদে নিজেকে বাঁচানোর জন্য নয়, বরং অন্যদের সহায়তার জন্যও অপরিহার্য। সাহসের প্রকৃত রূপ হলো অন্যদের সাহায্য করা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কঠিন সময়ে আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা। একজন সাহসী ব্যক্তি জানেন কীভাবে ভয়কে জয় করতে হয় এবং কেবল আত্মরক্ষার জন্যই নয়, বরং বৃহত্তর কল্যাণের জন্যও আত্মত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকেন। সমাজে সাহসী ব্যক্তিদের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ তারা অন্যদের অনুপ্রাণিত করেন এবং পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। সাহস কখনোই ভয় বা হঠকারিতার নাম নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, বিচক্ষণতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে গঠিত। যারা সাহসী, তারা জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন এবং পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এগিয়ে যান। তাই সাহস কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, বরং জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে অপরিহার্য।
একজন সাহসী ব্যক্তি ভয় ও অনিশ্চয়তার মুখেও আত্মবিশ্বাস ও সংকল্প বজায় রাখেন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেন।
সত্য বলা অনেক সময় কঠিন হতে পারে, তবে এটি সাহসী হওয়ার অন্যতম নিদর্শন।
সাহসী হওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্যশীল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নিজের মত প্রকাশ করা মানসিক সাহসের পরিচায়ক, যা আত্মবিশ্বাসের একটি দৃষ্টান্ত।
সাহসী ব্যক্তিরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনেন।
নৈতিক সাহস হলো সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি।
নতুন অভিজ্ঞতা সাহস বাড়াতে সাহায্য করে এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
শিশুদের সাহসী করতে হলে তাদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে।
সাহসী হওয়ার জন্য মনোবল, আত্মবিশ্বাস এবং ধৈর্য অপরিহার্য।