- A১০ জন
- B১২ জন
- C১৫ জন
- D২০ জন
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
ওহুদ যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল জাহিলী মর্যাদাবোধ এবং প্রতিশোধ স্পৃহা, যেহেতু বদর যুদ্ধে কুরায়শদের বড় বড় সর্দার মারা গিয়ে তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আত্মসম্মানে ঘা হয়েছিল।
জাহিলী মর্যাদাবোধ ও প্রতিশোধ স্পৃহা: বদর যুদ্ধে কুরায়শদের বড় বড় সর্দার মারা যায় এবং অবশিষ্ট ফৌজ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় মক্কার দিকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া মক্কাবাসীদের মন-মানসে তীব্র হয়ে দেখা দেয়। এই পরাজয় তাদের জন্য এক মহাদুর্ঘটনার চেয়ে কম ছিল না। অনন্তর সেই সব লোক যাদের বাপ-বেটা ও ভাই মারা গিয়েছিল তারা সকলে আবূ সুফিয়ানের নিকট গমন করে এবং তার সঙ্গে ও কুরায়শ কাফেলায় যেসব লোকের অংশ ছিল সেসব লোকের সঙ্গেও এ ব্যাপারে পরামর্শ করে এবং তাদের টাকা-পয়সায় রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বিরুদ্ধে একটি নতুন যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু করে কবিরা নিয়ম মাফিক তাদের আত্মসম্মানে ঘা দিতে শুরু করে এবং তাদের জাহিলী অহংবোধ উস্কে দেয়।
উহুদের যুদ্ধে মুহাজিরদের বাহিনীতে মুসআব ইবনু উমায়ের আবদারী, আউস গোত্রের বাহিনীতে উসায়েদ ইবনু হুযাযির এবং খাযরাজ গোত্রের বাহিনীতে হাববাব ইবনু মুনযির পতাকাবাহী ছিলেন।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 294]
ব্যাখ্যা: পাঠ্যতে বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুসলিম বাহিনীর পিছন ও দক্ষিণ দিক রক্ষা করার জন্যে একটি পাহাড়কে আড়াল করে নেন এবং যে গিরি পথ দিয়ে মুসলিম বাহিনীর উপর আক্রমণের আশঙ্কা ছিল ওটা তিনি তীরন্দাযদের মাধ্যমে সুরক্ষিত করে নেন। এছাড়াও, তিনি বাছাই করা বীর পুরুষদের একটি দল গঠন করে সামরিক সংখ্যার স্বল্পতা পুরণ করে দেন। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে মুসলিম বাহিনীর পিছন ও দক্ষিণ দিক রক্ষা করা এবং শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছিল।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 297]
উত্তর: মুনযির ইবনু ‘আমর (রাঃ)
ব্যাখ্যা: পাঠ্যতে বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুনযির ইবনু ‘আমর (রাঃ)-কে মুসলিম বাহিনীর দক্ষিণ বাহুর অধিনায়ক নিযুক্ত করেছিলেন।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবশিষ্ট সৈন্যের শ্রেণীবিন্যাস এভাবে করেন যে, দক্ষিণ বাহুর উপর মুনযির ইবনু ‘আমর (রাঃ)-কে নিযুক্ত করেন এবং বাম বাহুর উপর নিযুক্ত করেন, যুবাইর ইবনু ‘আউওয়াম (রাঃ)-কে আর মিক্বদাদ ইবনু আসওয়াদ (ﷺ)-কে তার সহকারীর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। যুবাইর (রাঃ)-এর উপর এ দায়িত্ব অর্পিত হয় যে, তিনি খালিদ ইবনু ওয়ালিদের (যিনি তখনও মুসলিম হন নি) ঘোড়সওয়ার বাহিনীকে প্রতিরোধ করবেন। এ শ্রেণীবিন্যাস ছাড়াও সারির সম্মুখভাগে এমন বাছাইকৃত মুসলিম বীর মুজাহিদদেরকে নিযুক্ত করা হয় যাদের বীরত্বের খ্যাতি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং যাদের প্রত্যেককে হাজারের সমান মনে করা হতো।
উত্তর: আবূ সুফইয়ান
মুশরিকগণও কাতারবন্দী নীতির অনুসরণে নিজেদের সেনা বাহিনীর বিন্যাস সাধন করেছিল। তাদের সেনাপতি ছিল আবূ সুফইয়ান। সে নিজের কেন্দ্র তৈরি করেছিল সেনা বাহিনীর মধ্যস্থলে। দক্ষিণ বাহুর উপর ছিল খালিদ ইবনু ওয়ালীদ, যিনি তখন পর্যন্ত মুশরিক ছিলেন। বাম বাহুর উপর ছিল ইকরামা ইবনু আবূ জাহল। পদাতিক সৈন্যের সেনাপতি ছিল সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া আর তীরনন্দাজদের নেতা ছিল আব্দুল্লাহ ইবনু রাবী’আহ।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 299]
উত্তর: সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া
ব্যাখ্যা: পাঠ্যতে বলা হয়েছে যে, মুশরিক বাহিনীর পদাতিক সৈন্যের অধিনায়ক ছিলেন সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া।
মুশরিকগণও কাতারবন্দী নীতির অনুসরণে নিজেদের সেনা বাহিনীর বিন্যাস সাধন করেছিল। তাদের সেনাপতি ছিল আবূ সুফইয়ান। সে নিজের কেন্দ্র তৈরি করেছিল সেনা বাহিনীর মধ্যস্থলে। দক্ষিণ বাহুর উপর ছিল খালিদ ইবনু ওয়ালীদ, যিনি তখন পর্যন্ত মুশরিক ছিলেন। বাম বাহুর উপর ছিল ইকরামা ইবনু আবূ জাহল। পদাতিক সৈন্যের সেনাপতি ছিল সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া আর তীরনন্দাজদের নেতা ছিল আব্দুল্লাহ ইবনু রাবী’আহ।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 299]
উত্তর: আব্দুল্লাহ ইবনু রাবী’আহ
ব্যাখ্যা: পাঠ্যতে বলা হয়েছে যে, মুশরিক বাহিনীর তীরন্দাজদের নেতা ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনু রাবী’আহ।
মুশরিকগণও কাতারবন্দী নীতির অনুসরণে নিজেদের সেনা বাহিনীর বিন্যাস সাধন করেছিল। তাদের সেনাপতি ছিল আবূ সুফইয়ান। সে নিজের কেন্দ্র তৈরি করেছিল সেনা বাহিনীর মধ্যস্থলে। দক্ষিণ বাহুর উপর ছিল খালিদ ইবনু ওয়ালীদ, যিনি তখন পর্যন্ত মুশরিক ছিলেন। বাম বাহুর উপর ছিল ইকরামা ইবনু আবূ জাহল। পদাতিক সৈন্যের সেনাপতি ছিল সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া আর তীরনন্দাজদের নেতা ছিল আব্দুল্লাহ ইবনু রাবী’আহ।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 299]
আক্বাবার দ্বিতীয় বাইয়াতে ৭৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী অংশগ্রহণ করেন।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: ]
দুইটি
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: ]