- A জাহিলী মর্যাদাবোধ ও প্রতিশোধ স্পৃহা
- B ইসলামের প্রচার ও সাম্রাজ্য প্রসারণ
- C ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সহমর্মিতা সৃজন
- D কুরায়শদের সমর্থন প্রাপ্তি
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
ওহুদ যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল জাহিলী মর্যাদাবোধ এবং প্রতিশোধ স্পৃহা, যেহেতু বদর যুদ্ধে কুরায়শদের বড় বড় সর্দার মারা গিয়ে তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আত্মসম্মানে ঘা হয়েছিল।
জাহিলী মর্যাদাবোধ ও প্রতিশোধ স্পৃহা: বদর যুদ্ধে কুরায়শদের বড় বড় সর্দার মারা যায় এবং অবশিষ্ট ফৌজ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় মক্কার দিকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া মক্কাবাসীদের মন-মানসে তীব্র হয়ে দেখা দেয়। এই পরাজয় তাদের জন্য এক মহাদুর্ঘটনার চেয়ে কম ছিল না। অনন্তর সেই সব লোক যাদের বাপ-বেটা ও ভাই মারা গিয়েছিল তারা সকলে আবূ সুফিয়ানের নিকট গমন করে এবং তার সঙ্গে ও কুরায়শ কাফেলায় যেসব লোকের অংশ ছিল সেসব লোকের সঙ্গেও এ ব্যাপারে পরামর্শ করে এবং তাদের টাকা-পয়সায় রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বিরুদ্ধে একটি নতুন যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু করে কবিরা নিয়ম মাফিক তাদের আত্মসম্মানে ঘা দিতে শুরু করে এবং তাদের জাহিলী অহংবোধ উস্কে দেয়।
ওহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা)-মুস'আব ইবন উমায়র (রা)-কে মুসলিম বাহিনীর পতাকা প্রদান করেন ।
কুরাইশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধের জন্য দু'শটি ঘোড়া ছিল। এছাড়াও, তিন হাজার উট ছিল সওয়ারীর জন্য।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 292]
কুরাইশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধের জন্য সাত'শটি লৌহবর্ম ছিল। এছাড়াও, অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রশস্ত্র ছিল।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 292]
উহুদের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল এক হাজার।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 295]
সাফিয়্যা বিনতে আবদুল মুত্তালিব (রা) ছিলেন হযরত হামযা (রা)-র আপন বোন । তিনি শহীদ ভাইকে দেখার উদ্দেশ্যে আগমন করলে রাসূলুল্লাহ (সা) তদীয় পুত্র যুবায়র ইবনুল-আওয়াম (রা)-কে বলেন যে, তোমার মাকে ফিরিয়ে দাও। তাঁর ভাইয়ের লাশকে যেভাবে অসম্মান করা হয়েছে তা যেন তিনি দেখতে না পারেন। তিনি নির্দেশ মাফিক মাকে গিয়ে ফিরে যাবার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সা)-র নির্দেশ জানিয়ে দিলেন। উত্তরে তিনি বলেন : তাকে ফিরে যেতে হবে কেন? আমি জানি যে, আমার ভাইয়ের লাশ বিকৃত করা হয়েছে। আর এ সবই হয়েছে আল্লাহ্র রাস্তায় । এজন্য আমি আল্লাহ চাহেত পুরস্কার ও ছওয়াব প্রাপ্তির আশা পোষণ করব এবং পরিপূর্ণ ধৈর্য ধারণ করব। এরপর তিনি লাশের নিকট গমন করলেন এবং শহীদ ভাইয়ের লাশ দেখলেন, ইন্না লিল্লাহ পাঠ করলেন এবং তাঁর জন্য প্রাণভরে আল্লাহ্র দরবারে মাগফিরাত কামনা করলেন। এরপর তিনি তাঁকে দাফন করবার নির্দেশ দিলেন এবং ওহুদের শাহাদতগাহের মাটি হল তাঁর শেষ বিশ্রামস্থল ।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 257]
বনু নযীর
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - "ওহুদ যুদ্ধ " নামক অধ্যায় থেকে]
হামজা রা.
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - "ওহুদ যুদ্ধ " নামক অধ্যায় থেকে]
আসআদ বিন যুরারা।
[তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ - পৃষ্ঠা নম্বর: 295]