- Aচতুর্থ হিজরীর রবীউল আউয়ালে
- Bপঞ্চম হিজরীর রবীউল আউয়ালে
- Cষষ্ঠ হিজরীর রবীউল আউয়ালে
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
৪র্থ হিজরীর রবীউল আউয়ালে
ইয়াহুদীরা মদীনার বিভিন্ন বস্তি ও মহল্লায় থাকত যা তাদেরই জন্য নির্দিষ্ট ছিল। বনূ কায়নুকাকে যখন বনী নাদীর ও বনূ কুরায়জা মদীনার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয় তখন তারা শহরের ভেতর একটি বিশেষ মহল্লায় বসবাস করতে থাকে । বনূ নাদীর মদীনা থেকে দু'তিন মাইল দূরে বুতহান উপত্যকার চড়াইয়ে থাকত যা ছিল খেজুর ও ক্ষেত-খামারে পূর্ণ। বনূ কুরায়জা মদীনার দক্ষিণে কয়েক মাইল দূরে অবস্থিত মাহযুর এলাকায় বসবাস করত।
ইয়াহুদীরা মদীনার বিভিন্ন বস্তি ও মহল্লায় থাকত যা তাদেরই জন্য নির্দিষ্ট ছিল। বনূ কায়নুকাকে যখন বনী নাদীর ও বনূ কুরায়জা মদীনার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয় তখন তারা শহরের ভেতর একটি বিশেষ মহল্লায় বসবাস করতে থাকে । বনূ নাদীর মদীনা থেকে দু'তিন মাইল দূরে বুতহান উপত্যকার চড়াইয়ে থাকত যা ছিল খেজুর ও ক্ষেত-খামারে পূর্ণ। বনূ কুরায়জা মদীনার দক্ষিণে কয়েক মাইল দূরে অবস্থিত মাহযুর এলাকায় বসবাস করত।
ইয়াহুদীরা মদীনার বিভিন্ন বস্তি ও মহল্লায় থাকত যা তাদেরই জন্য নির্দিষ্ট ছিল। বনূ কায়নুকাকে যখন বনী নাদীর ও বনূ কুরায়জা মদীনার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয় তখন তারা শহরের ভেতর একটি বিশেষ মহল্লায় বসবাস করতে থাকে । বনূ নাদীর মদীনা থেকে দু'তিন মাইল দূরে বুতহান উপত্যকার চড়াইয়ে থাকত যা ছিল খেজুর ও ক্ষেত-খামারে পূর্ণ। বনূ কুরায়জা মদীনার দক্ষিণে কয়েক মাইল দূরে অবস্থিত মাহযুর এলাকায় বসবাস করত।
হাশর ৫৯/৫
বনু নাযীর-এর বহিষ্কার বিষয়ে তাদের কিছু খেজুর গাছ কাটা হয়েছিল এবং কিছু ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেটাও কুরআন ও হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত’। যেমন আল্লাহ বলেন, مَا قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ ‘তোমরা যে কিছু খেজুর গাছ কেটে দিয়েছ এবং কিছু রেখে দিয়েছ, তা আল্লাহর অনুমতিক্রমেই হয়েছে। যাতে তিনি পাপাচারীদের লাঞ্ছিত করেন’ (হাশর ৫৯/৫)।
এ ঘটনা উপলক্ষে সূরা হাশর নাযিল হয় (বুখারী হা/৪৮৮২)। ইবনু আববাস (রাঃ) একে ‘সূরা নাযীর’(سُورَةُ النَّضِيرِ) বলতেন (বুখারী হা/৪৮৮৩)।
অবশেষে তারা চুক্তিতে বাধ্য হয় এবং সার্বিক বহিষ্কারে সম্মত হয়। এই শর্তে যে, অস্ত্র ব্যতীত উটে বহনযোগ্য সহায়-সম্পদ নিয়ে তারা চলে যাবে। ফলে তারা এমনকি তাদের ঘরের দরজা-জানালাসমূহ খুলে নিয়ে যায়। এভাবে তারা নিজেদের গড়া বাড়ি-ঘর নিজেদের হাতে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়। তাদের এই বহিষ্কার ছিল ‘শামের দিকে প্রথম বহিষ্কার’(أَوَّلُ حَشْرِ النَّاسِ إِلَى الشَّامِ)। এই সময় মদীনার প্রশাসক ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) এবং যুদ্ধের পতাকাবাহী ছিলেন হযরত আলী (রাঃ)।
অবশেষে তারা চুক্তিতে বাধ্য হয় এবং সার্বিক বহিষ্কারে সম্মত হয়। এই শর্তে যে, অস্ত্র ব্যতীত উটে বহনযোগ্য সহায়-সম্পদ নিয়ে তারা চলে যাবে। ফলে তারা এমনকি তাদের ঘরের দরজা-জানালাসমূহ খুলে নিয়ে যায়। এভাবে তারা নিজেদের গড়া বাড়ি-ঘর নিজেদের হাতে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়। তাদের এই বহিষ্কার ছিল ‘শামের দিকে প্রথম বহিষ্কার’(أَوَّلُ حَشْرِ النَّاسِ إِلَى الشَّامِ)। এই সময় মদীনার প্রশাসক ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) এবং যুদ্ধের পতাকাবাহী ছিলেন হযরত আলী (রাঃ)।
এই সময় মদীনার প্রশাসক ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) এবং যুদ্ধের পতাকাবাহী ছিলেন হযরত আলী (রাঃ)।
এই সময় মদীনার প্রশাসক ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) এবং যুদ্ধের পতাকাবাহী ছিলেন হযরত আলী (রাঃ)।