- A৩ মাস
- B৫ মাস
- C৭ মাস
- D ১০ মাস
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
আযানের হুকুম: রাসূলুল্লাহ (সা) যখন মদীনার বুকে পরিপূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করলেন এবং ইসলাম দৃঢ়তা ও সুসংহত রূপ লাভ করল তখন সালাতের জন্য মুসলমানদেরকে ডাকার সেই সব পন্থা যা ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ভেতর প্রচলিত ছিল সেগুলো, যেমন ঘন্টা বাজানো, শিংগায় ফুক দেয়া, আগুনের মশাল জ্বালানো প্রভৃতি অপছন্দ করলেন। তখন পর্যন্ত মুসলমানরা কোনরকম পূর্ব ঘোষণা ও ডাকাডাকি ছাড়াই সালাতের ওয়াক্তে আপনাআপনিই হাজির হয়ে যেতেন। এমনি মুহূর্তে আল্লাহ পাক আযান দ্বারা মুসলমানদেরকে ধন্য ও গৌরবান্বিত করেন এবং স্বপ্নের মাধ্যমে কোন কোন সাহাবীকে এর বাস্তব রূপ ও দৃশ্যও দেখানো হয়। অনন্তর তিনি এই আযানকেই নির্ধারিত করেন এবং শারঈভাবেই এর প্রচলন ঘটান । অতঃপর আযান দানের এই মহান খেদমত হযরত বেলাল ইবন রাবাহ হাবশী (রা)-কে সোপর্দ করা হয়। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর মুওয়াযযিন এই উপাধিত ভূষিত এবং কেয়ামত অবধি যত মুওয়াযযিন আসবেন তাঁদের ইমাম হওয়ার অনন্য গৌরব লাভ করেন ।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 218]
আযানের হুকুম: রাসূলুল্লাহ (সা) যখন মদীনার বুকে পরিপূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করলেন এবং ইসলাম দৃঢ়তা ও সুসংহত রূপ লাভ করল তখন সালাতের জন্য মুসলমানদেরকে ডাকার সেই সব পন্থা যা ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ভেতর প্রচলিত ছিল সেগুলো, যেমন ঘন্টা বাজানো, শিংগায় ফুক দেয়া, আগুনের মশাল জ্বালানো প্রভৃতি অপছন্দ করলেন। তখন পর্যন্ত মুসলমানরা কোনরকম পূর্ব ঘোষণা ও ডাকাডাকি ছাড়াই সালাতের ওয়াক্তে আপনাআপনিই হাজির হয়ে যেতেন। এমনি মুহূর্তে আল্লাহ পাক আযান দ্বারা মুসলমানদেরকে ধন্য ও গৌরবান্বিত করেন এবং স্বপ্নের মাধ্যমে কোন কোন সাহাবীকে এর বাস্তব রূপ ও দৃশ্যও দেখানো হয়। অনন্তর তিনি এই আযানকেই নির্ধারিত করেন এবং শারঈভাবেই এর প্রচলন ঘটান । অতঃপর আযান দানের এই মহান খেদমত হযরত বেলাল ইবন রাবাহ হাবশী (রা)-কে সোপর্দ করা হয়। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর মুওয়াযযিন এই উপাধিত ভূষিত এবং কেয়ামত অবধি যত মুওয়াযযিন আসবেন তাঁদের ইমাম হওয়ার অনন্য গৌরব লাভ করেন ।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 218]
১৪ নববী বর্ষের ২৭শে ছফর মোতাবেক ৬২২ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে আবুবকর (রাঃ)-এর বাড়ী থেকে হিজরত শুরু হয়[1] এবং রাত থাকতেই তাঁরা ৩ কি. মি. দক্ষিণ-পূর্বে ছওর গিরিগুহায় পৌঁছে যান। অতঃপর সেখানে তাঁরা শুক্রবার, শনিবার ও রবিবার তিনদিন তিন রাত অবস্থান করেন। এসময় রাসূল (ছাঃ)-এর বয়স ছিল ৫৩ বছর।
[1]. রহমাতুল্লিল ‘আলামীন ২/৩৬৭; আর-রাহীক্ব ১৬৩-৬৪ পৃঃ।
ইবনু হাজার ১লা রবীউল আউয়াল বৃহস্পতিবার বলেছেন (ফাৎহুল বারী হা/৩৮৯৬-এর পরে ‘রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীদের মদীনায় হিজরত’ অনুচ্ছেদ)। তবে আধুনিক বিজ্ঞানের হিসাব মতে ১লা রবীউল আউয়াল সোমবার হয়। আমরা আধুনিক গবেষক সুলায়মান মানছূরপুরীর হিসাবকেই অগ্রাধিকার দিলাম।
নবুয়তের পঞ্চম বছর রজব মাসের সাহাবায়ে কেরাম সর্বপ্রথম হাবশায় হিজরত করেন এই দলের মোট সদস্য ছিল বারো জন পুরুষ আর চারজন মহিলা । [তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম বা মোহরাঙ্কিত জান্নাতী সুধা - শাইখুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) -অনুবাদ - আব্দুল খালেক রহমানী, মুয়ীনুদ্দীন আহমাদ]
আবু জেহেল, হারেস ও আইয়্যাশ ছিলেন আসমা বিনতে মুখাররাব এর সন্তান।
তায়েফ ও অন্যান্য গোত্রের কথা বাদ দিয়ে কেবল মক্কাবাসীরাই বছরে সিরিয়ায় প্রায় আড়াই লাখ দিনারের ব্যবসা করত।
ত্রয়োদশতম বছরে
আসমা বিনতে আবু বকর রাঃ যখন উটের সাথে মালপত্র বাঁধতে গেলেন তখন দেখলেন তাতে রশি নেই। তিনি তার কোমর বন্ধনী খুলে দুই টুকরো করে এক টুকরো দিয়ে সামান বেঁধে দিলেন আরেক টুকরো কোমরে জড়িয়ে রাখলেন।
ইয়াহুদিরা।