- Aআবিসিনিয়ার
- Bশামের
- Cইয়ামানের
- Dমিশরের
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
মিশরের
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - ''হুদায়বিয়ার সন্ধী" নামক অধ্যায় থেকে "প্রেরিত পত্রের সঙ্গে রাজা বাদশাদের আচরণ" নামক শিরোনাম পর্যন্ত]
খসরূ পারভেয ও তার জাতি সূর্য পূজারী ও অগ্নিপূজক ছিল এবং দুই খোদা (মঙ্গল ও কল্যাণের খোদা ‘য়াযদান' এবং অমঙ্গল ও অকল্যাণের খোদা হিসেবে ‘আহরিমান’)কে মান্য করত। তারা নবুওয়াত ও রিসালাতের সঠিক মর্ম সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল ।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 307]
এই দেশটি প্রাচীনকাল থেকেই হাবশা (Abyssinia), বর্তমানে ইথিওপিয়া (Ethiopia) নামে পরিচিত। এটি পূর্ব আফ্রিকার অংশ এবং লোহিত সাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। যে যুগের কথা আমরা আলোচনা করছি তখন এর সীমা কি ছিল তা নির্ধারণ করা আজ খুব সহজ নয় ৷
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 314]
আবিসিনিয়ার রাজধানী ছিল Axum. এটি ছিল একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত হুকুমত যা কোন ভিনদেশী হুকুমতের অধীন ছিল না এবং কাউকে খাজনা কিংবা ট্যাক্স দিত না । বায়যানটাইন সাম্রাজ্যের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল কেবল ধর্মীয় আর সে ধর্মীয় সম্পর্ক খৃষ্ট ধর্মের।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 314]
হেরাক্লিয়াস, নাজাশী ও মুকাওকিস- এই তিনজন নবী করীম (সা)-এর পত্রের সঙ্গে ভক্তি ও সম্ভ্রমপূর্ণ আচরণ করেন। তাঁদের পক্ষ থেকে প্রদত্ত জওয়াব ছিল বিনয় মিশ্রিত ও শ্রদ্ধাবিজড়িত। নাজাশী ও মুকাওকিস রাসূল (সা)-এর দূতকে খুবই সম্মান করেন । মুকাওকিস তাঁকে উপঢৌকন পাঠিয়েছিলেন যার মধ্যে দু'জন বাদীও ছিল । এদের একজনের নাম ছিল মারিয়া (রা)। রাসূলুল্লাহ (সা)-র সাহেবযাদা হযরত ইবরাহীম (রা) তাঁর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ।
পারস্য সম্রাট খসরু পারভেয পত্র পেতেই তা ছিড়ে ফেলে এবং বলে : আমার গোলাম হয়ে আমাকে এভাবে লেখে! রাসূলুল্লাহ (সা)-এ সম্পর্কে অবহিত হয়ে বলেন : আল্লাহ তার রাজ্যকে টুকরো টুকরো করে দিন।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 316]
হেরাক্লিয়াস, নাজাশী ও মুকাওকিস- এই তিনজন নবী করীম (সা)-এর পত্রের সঙ্গে ভক্তি ও সম্ভ্রমপূর্ণ আচরণ করেন। তাঁদের পক্ষ থেকে প্রদত্ত জওয়াব ছিল বিনয় মিশ্রিত ও শ্রদ্ধাবিজড়িত। নাজাশী ও মুকাওকিস রাসূল (সা)-এর দূতকে খুবই সম্মান করেন । মুকাওকিস তাঁকে উপঢৌকন পাঠিয়েছিলেন যার মধ্যে দু'জন বাদীও ছিল । এদের একজনের নাম ছিল মারিয়া (রা)। রাসূলুল্লাহ (সা)-র সাহেবযাদা হযরত ইবরাহীম (রা) তাঁর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ।
পারস্য সম্রাট খসরু পারভেয পত্র পেতেই তা ছিড়ে ফেলে এবং বলে : আমার গোলাম হয়ে আমাকে এভাবে লেখে! রাসূলুল্লাহ (সা)-এ সম্পর্কে অবহিত হয়ে বলেন : আল্লাহ তার রাজ্যকে টুকরো টুকরো করে দিন।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 316]
মারিয়া নামক বাদী
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - "নবী করীম (সা)-এর পত্রাবলী" নামক অধ্যায় থেকে]
বনী লেহয়ান ও যী-কার্দ যুদ্ধ: হুদায়বিয়ার সন্ধি (৬ হি.) ও খায়বার যুদ্ধের মাঝে বনী লিহয়ান ও যী-কারাদ যুদ্ধ সংঘটিত হয় । যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা) স্বয়ং তাশরীফ নেন এবং ইব্ন মাকতূম ( রা)-কে মদীনার গভর্নর নিযুক্ত করেন । প্রথম যুদ্ধের কারণ ছিল রাজী'র ঘটনায় খুবায়ব ইবন ‘আদী ও তাঁর সাথীদের শহীদী খুনের বদলা গ্রহণ । আর দ্বিতীয় যুদ্ধের কারণ ছিল রাসূলুল্লাহ (সা)-এর জঙ্গলে বিচরণরত উটনী পালের ওপর কাফির মুশরিকদের হামলা, বনী গিফারের এক ব্যক্তিকে খুন এবং তার স্ত্রীকে অপহরণ।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - "বনী লেহয়ান ও যী-কার্দ যুদ্ধ" নামক অধ্যায় থেকে]
খসরু পারভেয
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: ]