- Aসপ্তম হিজরীতে
- Bঅষ্টম হিজরীতে
- Cনবম হিজরিতে
- Dষষ্ঠ হিজরীতে
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
অষ্টম হিজরীতে
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - "মূতার যুদ্ধ" নামক অধ্যায় থেকে]
হারিছ উবন উমায়র আল-আয়দী (রা)
জা'ফর ইবন আবী তালিব (রা)
আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা)
যায়দ ইবন হারিছা (রা), যিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর প্রদত্ত পতাকা বহন করছিলেন, যুদ্ধের সূচনা করলেন এবং শেষাবধি শহীদ হলেন। বল্লমের আঘাত তাঁর গোটা দেহ ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল। এবার হযরত জা'ফর (রা) স্বহস্তে পতাকা তুলে নিলেন এবং যুদ্ধ করতে থাকলেন। যুদ্ধের চাপ বৃদ্ধি পেতে তিনি অশ্বপৃষ্ঠ থেকে নেমে পড়লেন এবং ঘোড়ার সামনের দু'পা কেটে দিলেন এবং মাটিতে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে লাগলেন। ইতোমধ্যে শত্রুর আঘাতে তাঁর দক্ষিণ বাহু বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল । তিনি তখন বাম হাতে পতাকা ধরলেন। বাম হাতও কাটা পড়লে তিনি পতাকা কর্তিত বাহুর অবশিষ্ট অংশ দিয়ে জাপটে ধরলেন। অবশেষে এক সময় তিনিও শাহাদাতের পরম সৌভাগ্যে ধন্য হলেন। এ সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৩ বছর। তাঁর বুক ও দুই বাহুর মাঝে এবং সামনের অংশে নব্বইটি যখম ছিল যার সবগুলোই ছিল তলোয়ার ও বল্লমের । এসবের একটিও পৃষ্ঠদেশে ছিল না ৷ মোট কথা, এভাবে এই নির্ভীক যুবক জান্নাতের নে'মতসমূহের গান গাইতে গাইতে এবং শত্রুর সংখ্যাধিক্য, শক্তি, শান-শওকত, আসবাবপত্র ও পার্থিব বাহ্যিক আড়ম্বর ও সাজসজ্জাকে দু'পায়ে দলতে দলতে এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন ।
জা'ফর তায়্যার: জা'ফর (রা) সম্পর্কে তিনি বলেন, আল্লাহ তা'আলা তার দুই বাহুর বিনিময়ে তাকে দুটো পাখা দান করেছেন যার সাহায্যে সে বেহেশতের যেখানে খুশি উড়ে বেড়ায় ।এজন্য তাঁর উপাধি হয় জা'ফর তায়্যার (উড্ডয়নরত জা'ফর) ও যু’ল-জানাহায়ন (দুই বাহু বা ডানাবিশিষ্ট) ।
মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মধ্যবর্তী কাল: মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মাঝামাঝি যাতু'স-সালাসিল নামে একটি সারিয়্যা (অভিযান) ৮ম হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসে পাঠানো হয়। এই জায়গাটি ওয়াদীউল-কুরার পশ্চাতে ও কুদা'আ গোত্রের এলাকায় অবস্থিত ছিল । মুসলিম বাহিনী এই সুযোগে শত্রু সম্পূর্ণ নির্মূল করেন। দ্বিতীয় সারিয়্যার নাম ছিল সারিয়্যাতু’ল-খাবত । এর আমীর ছিলেন আবূ উবায়দা ইবনুল-জাররাহ (রা)। এই সারিয়্যা ৮ম হিজরীর রজব মাসে পাঠানো হয়। এতে মুহাজির ও আনসারদের ৩০০ জন শরীক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা) জুহায়না নামক একটি গোত্রকে শায়েস্তা করবার জন্য সমুদ্র নিকটবর্তী এই অভিযান পাঠিয়েছিলেন । রাস্তায় এই সব মুজাহিদকে দুঃসহ ক্ষুধা ও উপবাসের সম্মুখীন হতে হয়, এমন কি গাছের পাতা খেয়েও দিন কাটাতে হয়। সে সময় সমুদ্র তাদের জন্য আম্বর নামক একটি বৃহদাকায় মাছ সরবরাহ করে যা খেয়ে মুসলিম বাহিনী অর্ধমাস অবধি অতিবাহিত করে । মাছ থেকে প্রচুর তেলও পাওয়া যায় এবং তা বেশ কাজে লাগে। এর ফলে তাদের স্বাস্থ্য ও শক্তির উন্নতি হয় এবং হৃত শক্তি ফিরে আসে। শরীর তরতাজা হয়ে যায় । হুযূর (সা) এই ঘটনা শ্রবণে বলেন, এটি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে তোমাদের মেহমানদারী ছিল। তিনিও এর (মাছের) কিছু অংশ গ্রহণ করেন।
মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মধ্যবর্তী কাল: মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মাঝামাঝি যাতু'স-সালাসিল নামে একটি সারিয়্যা (অভিযান) ৮ম হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসে পাঠানো হয়। এই জায়গাটি ওয়াদীউল-কুরার পশ্চাতে ও কুদা'আ গোত্রের এলাকায় অবস্থিত ছিল । মুসলিম বাহিনী এই সুযোগে শত্রু সম্পূর্ণ নির্মূল করেন। দ্বিতীয় সারিয়্যার নাম ছিল সারিয়্যাতু'ল-খাত । এর আমীর ছিলেন ছিলেন আবূ উবায়দা ইবনুল-জাররাহ (রা)। এই সারিয়্যা ৮ম হিজরীর রজব মাসে পাঠানো হয়। এতে মুহাজির ও আনসারদের ৩০০ জন শরীক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা) জুহায়না নামক একটি গোত্রকে শায়েস্তা করবার জন্য সমুদ্র নিকটবর্তী এই অভিযান পাঠিয়েছিলেন । রাস্তায় এই সব মুজাহিদকে দুঃসহ ক্ষুধা ও উপবাসের সম্মুখীন হতে হয়, এমন কি গাছের পাতা খেয়েও দিন কাটাতে হয়। সে সময় সমুদ্র তাদের জন্য আম্বর নামক একটি বৃহদাকায় মাছ সরবরাহ করে যা খেয়ে মুসলিম বাহিনী অর্ধমাস অবধি অতিবাহিত করে । মাছ থেকে প্রচুর তেলও পাওয়া যায় এবং তা বেশ কাজে লাগে। এর ফলে তাদের স্বাস্থ্য ও শক্তির উন্নতি হয় এবং হৃত শক্তি ফিরে আসে। শরীর তরতাজা হয়ে যায় । হুযূর (সা) এই ঘটনা শ্রবণে বলেন, এটি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে তোমাদের মেহমানদারী ছিল। তিনিও এর (মাছের) কিছু অংশ গ্রহণ করেন।
যায়েদ ইবনু হারেসা, জাফর ইবনু আবু তালিব ও আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা রা.
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: ]