- Aহারিছ উবন উমায়র আল-আয়দী (রা)
- Bশুরাহবীল ইবন আমর আল-গাসসানী
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
শুরাহবীল ইবন আমর আল-গাসসানী
যায়দ ইবন হারিছা (রা)
জা'ফর ইবন আবী তালিব (রা)
আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা)
যায়দ ইবন হারিছা (রা), যিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর প্রদত্ত পতাকা বহন করছিলেন, যুদ্ধের সূচনা করলেন এবং শেষাবধি শহীদ হলেন।
এরপর সকলে মিলে যুদ্ধের অধিনায়কত্বের দায়িত্বভার হযরত খালিদ ইবন ওয়ালীদ(রা)-এর ওপর চাপিয়ে দিলেন এবং তিনি মুসলিম পতাকা নিজ হাতে তুলে নিলেন । তিনি খুব বীর পুরুষ এবং যুদ্ধ বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন । তিনি মুসলিম বাহিনীকে দক্ষিণ দিকে ঘুরিয়ে নিলেন আর শত্রু উত্তর দিকে চলে গেল । অপর দিকে রাত্রির অন্ধকার সমগ্র বিশ্বচরাচরকে গ্রাস করল এবং উভয় পক্ষ এই অবকাশকে দুর্লভ সুযোগ মনে করল এবং যুদ্ধ অব্যাহত না রাখার ভেতর নিজেদের কল্যাণ দেখতে পেল ।
সায়ফুল্লাহ খালিদ ইবন ওয়ালীদ রা
মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মধ্যবর্তী কাল: মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মাঝামাঝি যাতু'স-সালাসিল নামে একটি সারিয়্যা (অভিযান) ৮ম হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসে পাঠানো হয়। এই জায়গাটি ওয়াদীউল-কুরার পশ্চাতে ও কুদা'আ গোত্রের এলাকায় অবস্থিত ছিল । মুসলিম বাহিনী এই সুযোগে শত্রু সম্পূর্ণ নির্মূল করেন। দ্বিতীয় সারিয়্যার নাম ছিল সারিয়্যাতু'ল-খাত । এর আমীর ছিলেন ছিলেন আবূ উবায়দা ইবনুল-জাররাহ (রা)। এই সারিয়্যা ৮ম হিজরীর রজব মাসে পাঠানো হয়। এতে মুহাজির ও আনসারদের ৩০০ জন শরীক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা) জুহায়না নামক একটি গোত্রকে শায়েস্তা করবার জন্য সমুদ্র নিকটবর্তী এই অভিযান পাঠিয়েছিলেন । রাস্তায় এই সব মুজাহিদকে দুঃসহ ক্ষুধা ও উপবাসের সম্মুখীন হতে হয়, এমন কি গাছের পাতা খেয়েও দিন কাটাতে হয়। সে সময় সমুদ্র তাদের জন্য আম্বর নামক একটি বৃহদাকায় মাছ সরবরাহ করে যা খেয়ে মুসলিম বাহিনী অর্ধমাস অবধি অতিবাহিত করে । মাছ থেকে প্রচুর তেলও পাওয়া যায় এবং তা বেশ কাজে লাগে। এর ফলে তাদের স্বাস্থ্য ও শক্তির উন্নতি হয় এবং হৃত শক্তি ফিরে আসে। শরীর তরতাজা হয়ে যায় । হুযূর (সা) এই ঘটনা শ্রবণে বলেন, এটি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে তোমাদের মেহমানদারী ছিল। তিনিও এর (মাছের) কিছু অংশ গ্রহণ করেন।
মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মধ্যবর্তী কাল: মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মাঝামাঝি যাতু'স-সালাসিল নামে একটি সারিয়্যা (অভিযান) ৮ম হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসে পাঠানো হয়। এই জায়গাটি ওয়াদীউল-কুরার পশ্চাতে ও কুদা'আ গোত্রের এলাকায় অবস্থিত ছিল । মুসলিম বাহিনী এই সুযোগে শত্রু সম্পূর্ণ নির্মূল করেন। দ্বিতীয় সারিয়্যার নাম ছিল সারিয়্যাতু’ল-খাবত । এর আমীর ছিলেন আবূ উবায়দা ইবনুল-জাররাহ (রা)। এই সারিয়্যা ৮ম হিজরীর রজব মাসে পাঠানো হয়। এতে মুহাজির ও আনসারদের ৩০০ জন শরীক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা) জুহায়না নামক একটি গোত্রকে শায়েস্তা করবার জন্য সমুদ্র নিকটবর্তী এই অভিযান পাঠিয়েছিলেন । রাস্তায় এই সব মুজাহিদকে দুঃসহ ক্ষুধা ও উপবাসের সম্মুখীন হতে হয়, এমন কি গাছের পাতা খেয়েও দিন কাটাতে হয়। সে সময় সমুদ্র তাদের জন্য আম্বর নামক একটি বৃহদাকায় মাছ সরবরাহ করে যা খেয়ে মুসলিম বাহিনী অর্ধমাস অবধি অতিবাহিত করে । মাছ থেকে প্রচুর তেলও পাওয়া যায় এবং তা বেশ কাজে লাগে। এর ফলে তাদের স্বাস্থ্য ও শক্তির উন্নতি হয় এবং হৃত শক্তি ফিরে আসে। শরীর তরতাজা হয়ে যায় । হুযূর (সা) এই ঘটনা শ্রবণে বলেন, এটি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে তোমাদের মেহমানদারী ছিল। তিনিও এর (মাছের) কিছু অংশ গ্রহণ করেন।
মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মধ্যবর্তী কাল: মৃতার যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়ের মাঝামাঝি যাতু'স-সালাসিল নামে একটি সারিয়্যা (অভিযান) ৮ম হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসে পাঠানো হয়। এই জায়গাটি ওয়াদীউল-কুরার পশ্চাতে ও কুদা'আ গোত্রের এলাকায় অবস্থিত ছিল । মুসলিম বাহিনী এই সুযোগে শত্রু সম্পূর্ণ নির্মূল করেন। দ্বিতীয় সারিয়্যার নাম ছিল সারিয়্যাতু'ল-খাত । এর আমীর ছিলেন ছিলেন আবূ উবায়দা ইবনুল-জাররাহ (রা)। এই সারিয়্যা ৮ম হিজরীর রজব মাসে পাঠানো হয়। এতে মুহাজির ও আনসারদের ৩০০ জন শরীক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা) জুহায়না নামক একটি গোত্রকে শায়েস্তা করবার জন্য সমুদ্র নিকটবর্তী এই অভিযান পাঠিয়েছিলেন । রাস্তায় এই সব মুজাহিদকে দুঃসহ ক্ষুধা ও উপবাসের সম্মুখীন হতে হয়, এমন কি গাছের পাতা খেয়েও দিন কাটাতে হয়। সে সময় সমুদ্র তাদের জন্য আম্বর নামক একটি বৃহদাকায় মাছ সরবরাহ করে যা খেয়ে মুসলিম বাহিনী অর্ধমাস অবধি অতিবাহিত করে । মাছ থেকে প্রচুর তেলও পাওয়া যায় এবং তা বেশ কাজে লাগে। এর ফলে তাদের স্বাস্থ্য ও শক্তির উন্নতি হয় এবং হৃত শক্তি ফিরে আসে। শরীর তরতাজা হয়ে যায় । হুযূর (সা) এই ঘটনা শ্রবণে বলেন, এটি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে তোমাদের মেহমানদারী ছিল। তিনিও এর (মাছের) কিছু অংশ গ্রহণ করেন।