- Aবনু কাইনুকা।
- B বনু কুরাইযা।
- Cজুহাইনা।
- D খাযরাজ।
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
কবীলায়ে জুহাইনার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন।
উভয় বাহিনীর মিত্র মাজদী বিন আমর জুহানীর উভয়ের মাঝে মীমাংসা করে দেন।
রাসূল সাঃ এর অনুপস্থিতিতে মদিনায় তিনি সাদ বিন উবাদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু কে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানিয়ে গিয়েছিলেন।
যুদ্ধের অনুমতি সংক্রান্ত আয়াত নাযিলের পর কুরায়েশ বাহিনীর মুকাবিলার জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মদীনা থেকে মক্কা অভিমুখী রাস্তাগুলিতে নিয়মিত টহল অভিযান প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় বাইরের বিভিন্ন গোত্রের সাথে তাঁর কৃত সন্ধি চুক্তিসমূহ খুবই ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়। যার এলাকাসমূহ মদীনা হ’তে মক্কার দিকে তিন মনযিল অর্থাৎ প্রায় পঞ্চাশ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এইসব অভিযানের যেগুলিতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বয়ং অংশ গ্রহণ করতেন, সেগুলিকে ‘গাযওয়াহ’ (غَزْوَةٌ) এবং যেগুলিতে নিজে যেতেন না, বরং অন্যদের পাঠাতেন, সেগুলিকে সারিইয়াহ (سَرِيَّةٌ) বলা হয়। এইসব অভিযানে যুদ্ধ প্রস্ত্ততি নিয়ে বের হ’লেও বলতে গেলে কোনটাতেই যুদ্ধ হয়নি। তবে মক্কায় খবর হয়ে গিয়েছিল যে, কুরায়েশদের হুমকিতে মুহাজিরগণ ভীত নন, বরং তারা সদা প্রস্ত্তত।
যুদ্ধের অনুমতি সংক্রান্ত আয়াত নাযিলের পর কুরায়েশ বাহিনীর মুকাবিলার জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মদীনা থেকে মক্কা অভিমুখী রাস্তাগুলিতে নিয়মিত টহল অভিযান প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় বাইরের বিভিন্ন গোত্রের সাথে তাঁর কৃত সন্ধি চুক্তিসমূহ খুবই ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়। যার এলাকাসমূহ মদীনা হ’তে মক্কার দিকে তিন মনযিল অর্থাৎ প্রায় পঞ্চাশ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এইসব অভিযানের যেগুলিতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বয়ং অংশ গ্রহণ করতেন, সেগুলিকে ‘গাযওয়াহ’ (غَزْوَةٌ) এবং যেগুলিতে নিজে যেতেন না, বরং অন্যদের পাঠাতেন, সেগুলিকে সারিইয়াহ (سَرِيَّةٌ) বলা হয়। এইসব অভিযানে যুদ্ধ প্রস্ত্ততি নিয়ে বের হ’লেও বলতে গেলে কোনটাতেই যুদ্ধ হয়নি। তবে মক্কায় খবর হয়ে গিয়েছিল যে, কুরায়েশদের হুমকিতে মুহাজিরগণ ভীত নন, বরং তারা সদা প্রস্ত্তত।
উমাইয়্যা বিন খলফের নেতৃত্বে ১০০ জন কুরাইশ লোক আড়াই হাজার উট নিয়ে মক্কায় ফিরে যাচ্ছেন। রাসূল সাঃ এই কাফেলা পর্যবেক্ষণের জন্য গিয়েছিলেন এটা গাযওয়ায়ে বুয়াত নামে পরিচিত।
গাযওয়ায়ে যুল উশাইরা থেকে গাযওয়ায়ে বদরে কুবরা'র সূত্রপাত হয়।
গাযওয়ায়ে সাফাওয়ান এর পতাকা ছিল সাদা। এটা বহন করেছিলেন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এবং এ সময় মদিনার আমির ছিলেন সাহাবী যায়েদ বিন হারেসা রাঃ।
সারিয়ায়ে নাখলার সময় মুসলিম বাহিনী থেকে একজন কুরাইশ বাহিনীর আমর বিন হাযরমীর দিকে তীর মারে এবং তাতে সে নিহত হন। মুসলিম বাহিনী উসমান ও হাকাম নামে দুজনকে বন্দিও করেছিলাম।
দ্বিতীয় হিজরীর শা'বান মাস মোতাবেক ৬২৪ এর ফেব্রুয়ারি মাসে মুসলমানদের কিবলা বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে মসজিদে হারামের দিকে পরিবর্তন করা হয়।