- Aঅ্যামিবা এককোষী জীব।
- Bঅ্যামিবা বহুকোষী জীব।
- Cঅ্যামিবার কোনো কোষ নেই।
- Dঅ্যামিবার দুটি কোষ রয়েছে।
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
উত্তর: A) অ্যামিবা এককোষী জীব।
ব্যাখ্যা: অ্যামিবা এককোষী প্রোটিস্ট জীব। এটির দেহ একটিমাত্র কোষ নিয়ে গঠিত। এই কোষটিই অ্যামিবার খাদ্য গ্রহণ, শ্বসন, প্রজনন এবং সকল প্রকার কাজ সম্পাদন করে।
উত্তরঃ এমন জীব যাদের দেহ একটি কোশ নিয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যাঃ এককোষী জীব হল এমন জীব যাদের দেহ একটিমাত্র কোশ নিয়ে গঠিত। এই কোষটিই এককোষী জীবের সমস্ত কাজ যেমন, খাদ্য গ্রহণ, পরিপাক, শ্বসন, প্রজনন ইত্যাদি করে। এককোষী জীবের উদাহরণ হল অ্যামিবা, প্যারামিসিয়াম ইত্যাদি।
উত্তরঃ বহুকোষী জীব
ব্যাখ্যাঃ অ্যামিবার দেহ একটি কোশ নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ একটি কোশ একটি জীবদেহের সমতুল্য। এরা এককোশী (Unicellular )। মশা, বিড়াল ও হাতির দেহ অসংখ্য কোশ নিয়ে গঠিত। কোশের সংখ্যা সঠিকভাবে গোনা সম্ভব নয়। অর্থাৎ এই ধরনের জীবরা বহুকোশী (Multicellular)। বহুকোশী জীবে বিভিন্ন জীবন প্রক্রিয়া একই সঙ্গে ও অবিছিন্নভাবে ঘটতে পারে। পরিবর্তনশীল পরিবেশে বহুকোশী জীবের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
উত্তরঃ Unicellular - এককোশী
ব্যাখ্যাঃ অ্যামিবার দেহ একটি কোশ নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ একটি কোশ একটি জীবদেহের সমতুল্য। এরা এককোশী (Unicellular )। মশা, বিড়াল ও হাতির দেহ অসংখ্য কোশ নিয়ে গঠিত। কোশের সংখ্যা সঠিকভাবে গোনা সম্ভব নয়। অর্থাৎ এই ধরনের জীবরা বহুকোশী (Multicellular)। বহুকোশী জীবে বিভিন্ন জীবন প্রক্রিয়া একই সঙ্গে ও অবিছিন্নভাবে ঘটতে পারে। পরিবর্তনশীল পরিবেশে বহুকোশী জীবের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
উত্তরঃ (খ) সাইটোপ্লাজম
ব্যাখ্যাঃ প্রাণীদেহে চামড়ার নীচে বা অন্যান্য অঙ্গে ফ্যাট সঞ্চয়ী চর্বিকোশ থাকে। চর্বি জমা হওয়ার ফলে কোশের নিউক্লিয়াস সাইটোপ্লাজম সহ একদিকে সরে যায়। ফলে চর্বিকোশকে আংটির মতো দেখায়। চর্বিকোশের সাইটোপ্লাজমে অধিক পরিমাণে চর্বি জমা থাকে। এই চর্বির কারণে চর্বিকোশের সাইটোপ্লাজমের কেন্দ্রে একটি ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। ফলে চর্বিকোশকে আংটির মতো দেখায়।
উত্তরঃ (ক) দণ্ডাকার রডকোশ
ব্যাখ্যাঃ চোখের রেটিনায় মৃদু আলো শোষণে সক্ষম দণ্ডাকার রডকোশ এবং উজ্জ্বল আলো ও বর্ণ শোষণে সক্ষম শঙ্কু আকৃতির কোণ (Cone) কোশ দেখা যায়। চোখের রেটিনায় দুই ধরনের কোষ থাকে, দণ্ডাকার রডকোশ এবং শঙ্কু আকৃতির কোণ (Cone) কোশ। দণ্ডাকার রডকোশগুলি মৃদু আলো শোষণে সক্ষম এবং শঙ্কু আকৃতির কোণগুলি উজ্জ্বল আলো ও বর্ণ শোষণে সক্ষম।
উত্তরঃ (খ) কোণকোশ
ব্যাখ্যাঃ চোখের রেটিনায় মৃদু আলো শোষণে সক্ষম দণ্ডাকার রডকোশ এবং উজ্জ্বল আলো ও বর্ণ শোষণে সক্ষম শঙ্কু আকৃতির কোণকোশ দেখা যায়।
Answer: (ঘ) সবগুলোই
Explanation: কোনো কোনো ব্যাকটেরিয়ার কোশের আকৃতি গোলাকার, রডের মতো বা কমা চিহ্নের মতো হয়। এই আকৃতিগুলিকে যথাক্রমে কক্কাস, ব্যাসিলাস এবং স্পিরিলা বলা হয়।
কক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কোশের আকৃতি গোলাকার হয়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়াগুলির উদাহরণ হল স্ট্যাফাইলোকক্কাস, স্ট্রেপ্টোকক্কাস এবং নিউমোকক্কাস।
ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়ার কোশের আকৃতি রডের মতো হয়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়াগুলির উদাহরণ হল এসচেরিচিয়া কোলাই, সালমোনেলা টাইফিরি এবং বাসিলাস সাবটিলিস।
স্পিরিলা ব্যাকটেরিয়ার কোশের আকৃতি কমা চিহ্নের মতো হয়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়াগুলির উদাহরণ হল ট্রেপোনিমা প্যালিডাম, ভিব্রিও কলেরা এবং ক্যাম্পিউলোব্যাক্টর জেজুনি।
ব্যাকটেরিয়ার কোশের আকৃতি ব্যাকটেরিয়ার জাতের উপর নির্ভর করে। ব্যাকটেরিয়ার কোশের আকৃতি জানা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যাকটেরিয়ার শনাক্তকরণ এবং রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করে।
Answer: (ক) কোশের বয়স, কোশমধ্যস্থ চাপ ও অন্যান্য শর্ত
Explanation: কোশের আকৃতি কোশের বয়স, কোশমধ্যস্থ চাপ ও অন্যান্য শর্ত দ্বারা নিয়ন্ত্রণ হয়।
কোশের বয়স: নবীন কোশগুলি সাধারণত বৃদ্ধ কোশগুলির চেয়ে ছোট হয়। কোশ যত বয়সী হতে থাকে, ততই এর আকৃতি পরিবর্তিত হয়।
কোশমধ্যস্থ চাপ: কোশমধ্যস্থ চাপ হল কোশের ভিতরে থাকা অণুগুলির মধ্যেকার চাপ। কোশমধ্যস্থ চাপ কোশের আকৃতিকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোশের ভিতরে অতিরিক্ত তরল জমে থাকে, তাহলে কোশের আকৃতি বড় হয়ে যাবে।
অন্যান্য শর্ত: কোশের আকৃতি অন্যান্য শর্তগুলি, যেমন জেনেটিক ফ্যাক্টর, পুষ্টির অভাব এবং হরমোন দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত হয়।
Answer: (ক) অনিয়মিত
Explanation: অ্যামিবার আকৃতি অনিয়মিত। এটি সিউডোপড নামক সাময়িক অঙ্গ তৈরি করে চলাফেরা ও খাদ্যসন্ধান করে। সিউডোপডের সাহায্যে অ্যামিবা খাদ্যকে ঘিরে ফেলে এবং ভেতরে নিয়ে যায়। অ্যামিবার আকৃতি ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়, কারণ এটি সিউডোপড তৈরি করে এবং সরিয়ে ফেলে।