- Aকোশপর্দা
- Bনিউক্লিয়াস
- Cসাইটোপ্লাজম
- Dকোনটিই নয়
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
Answer: (গ) সাইটোপ্লাজম
Explanation:
কোষের ভেতরকার জেলির মতো অর্ধতরল পদার্থকে সাইটোপ্লাজম বলা হয়। এটি কোষের প্রধান অংশ। এটি কোষের ভেতরে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া চালানোর জন্য যে সমস্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানোর দরকার হয় তা সম্পন্ন করে।
সাইটোপ্লাজমের প্রধান উপাদান হলো জল। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জৈব ও অজৈব পদার্থ থাকে। জৈব পদার্থের মধ্যে প্রোটিন, শর্করা, লিপিড, নিউক্লিক অ্যাসিড ইত্যাদি থাকে। অজৈব পদার্থের মধ্যে বিভিন্ন খনিজ লবণ, ধাতু ইত্যাদি থাকে।
সাইটোপ্লাজমে বিভিন্ন ধরনের কোষীয় অঙ্গাণু থাকে। যেমন, নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোসোম, এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা, গলজিবস্তু, লাইসোসোম, ভ্যাকুওল ইত্যাদি।
সুতরাং, কোষের ভেতরকার জেলির মতো অর্ধতরল পদার্থকে সাইটোপ্লাজম বলা হয়।
সাইটোপ্লাজম (Cytoplasm)— কোশের ভেতরকার জেলির মতো অর্ধতরল পদার্থ। বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া চালানোর জন্য যে সমস্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানোর দরকার হয় তা সাইটোপ্লাজমে সম্পন্ন হয়।
Answer: (ক) সুতোর জালের মতো
Explanation:
DNA হলো এক ধরনের বৃহৎ জৈব অণু যা নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিস্থিতি অনুসারে গোটানো বা আংশিক খোলা অবস্থায় থাকে। যখন DNA গোটানো থাকে, তখন এটি সুতোর জালের মতো দেখায়। নিউক্লিয়াসের মধ্যে DNA-এর অবস্থান নির্ভর করে কোষের অবস্থার উপর। কোষ বিভাজনের সময় DNA গোটানো থাকে, যাতে এটি সহজেই দুটি ভাগে বিভক্ত হতে পারে। কোষ বিভাজনের বাইরে DNA আংশিক খোলা থাকে, যাতে এটি প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য হয়।
সুতরাং, নিউক্লিয়াসের মধ্যে DNA সুতোর জালের মতো সাজানো থাকে।
Answer: (খ) ক্রোমোজোম
Explanation:
নিউক্লিয়াসের মধ্যে গোটানো DNA-এর গঠন যা কয়েক ধরনের প্রোটিনের গায়ে জড়ানো থাকে, তাকে ক্রোমোজোম বলা হয়। ক্রোমোজোমগুলি DNA এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত জটিল গঠন। একটি জীবের সব ধরনের কোষে একই সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। মানুষের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে, যার অর্থ হলো প্রতিটি কোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
ক্রোমোজোমগুলি কোষ বিভাজনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমগুলি দুটি ভাগে বিভক্ত হয় এবং নতুন কোষগুলিতে সমানভাবে বিতরণ করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে নতুন কোষগুলিতে মূল কোষের মতোই একই জিনগত উপাদান থাকবে।
সুতরাং, নিউক্লিয়াসের মধ্যে গোটানো DNA-এর গঠন যা কয়েক ধরনের প্রোটিনের গায়ে জড়ানো থাকে, তাকে ক্রোমোজোম বলা হয়।
Answer: (ক) নির্দিষ্ট
Explanation:
প্রত্যেক প্রজাতিভুক্ত জীবের ক্রোমোজোম সংখ্যা নির্দিষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে, যার অর্থ হলো প্রতিটি কোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। অন্যদিকে, গরুর প্রতিটি কোষে ৩০ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে, যার অর্থ হলো প্রতিটি কোষে ৬০টি ক্রোমোজোম থাকে।
ক্রোমোজোমগুলি কোষ বিভাজনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমগুলি দুটি ভাগে বিভক্ত হয় এবং নতুন কোষগুলিতে সমানভাবে বিতরণ করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে নতুন কোষগুলিতে মূল কোষের মতোই একই জিনগত উপাদান থাকবে।
সুতরাং, প্রত্যেক প্রজাতিভুক্ত জীবের ক্রোমোজোম সংখ্যা নির্দিষ্ট।
Answer: (খ) প্রোকারিওটিক কোষ
Explanation:
নিউক্লিয়াস পর্দা ও নিউক্লীয় জালিকা অনুপস্থিত থাকা কোষকে প্রোকারিওটিক কোষ বলে। ব্যাকটেরিয়া কোষ হলো প্রোকারিওটিক কোষ। তাই, ব্যাকটেরিয়া কোষের নিউক্লিয়াস পর্দা ও নিউক্লীয় জালিকা অনুপস্থিত।
ইউক্যারিওটিক কোষে নিউক্লিয়াস পর্দা ও নিউক্লীয় জালিকা থাকে। তাই, বহুকোষী জীবের নিউক্লিয়াসের মতো নিউক্লিয়াস শুধুমাত্র ইউক্যারিওটিক কোষে পাওয়া যায়।
বহুকোশী জীবের নিউক্লিয়াসের মতো নিউক্লিয়াস ব্যাকটেরিয়া কোশে থাকে না (নিউক্লীয় পর্দা ও নিউক্লীয় জালিকা অনুপস্থিত)। কিন্তু পেঁয়াজের কোশ বা মুখের ভেতরের দেয়ালের কোশ নিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় এদের নিউক্লিয়াস পর্দা দিয়ে ঘেরা। আর তার ভেতরে নিউক্লীয় জালিকা আছে।
Answer: (ক) প্লাজমা পর্দা থেকে নিউক্লীয় পর্দা
Explanation:
এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা (ER) কোষের সাইটোপ্লাজমে বিস্তৃত থাকা একটি জালিকাযুক্ত গঠন। এটি প্লাজমা পর্দা থেকে উৎপন্ন হয়ে নিউক্লীয় পর্দা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। ER প্রোটিন সংশ্লেষণ, লিপিড সংশ্লেষণ, ডিটক্সিফিকেশন ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ER দুই ধরনের হয়:
Answer: (ক) পরস্পর সমান্তরালভাবে
Explanation:
গলজি বস্তু (Golgi bodies) কোষের সাইটোপ্লাজমে পরস্পর সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত থাকে। এগুলো নিউক্লিয়াসের কাছে অবস্থান করে। গলজি বস্তুর আকৃতি চ্যাপটা থলি, লম্বা থলি বা ছোটো গহ্বরের মতো হতে পারে।
গলজি বস্তুর মূল কাজ হলো কোষের বিভিন্ন অংশে পরিবহনের জন্য প্রোটিনগুলোকে সংশোধন ও প্যাকেজিং করা। এছাড়াও গলজি বস্তু কোষের বাইরে নিঃসৃত হওয়ার জন্য বিভিন্ন পদার্থের সংশ্লেষণ ও প্যাকেজিং করে।
গলজি বস্তুকে কোষের প্যাকেজিং কেন্দ্র বলা হয়।
Answer: লাইসোজোম যে কোশে থাকে সেই কোশকেই ধ্বংস করতে পারে
Explanation:
লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলি বলা হয় কারণ এতে থাকা এনজাইমগুলো কোষকেই ধ্বংস করতে পারে। যখন কোষের কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে, তখন লাইসোজোম সেই অংশটিকে ধ্বংস করে দেয়। এছাড়াও, যখন কোষটি মারা যায়, তখন লাইসোজোমের এনজাইমগুলো সেই কোশটিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়।
লাইসোজোমের এনজাইমগুলো খুবই শক্তিশালী বলে এগুলোকে কোষের নিজস্ব বিষাক্ত পদার্থ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। যদি কোন কারণে লাইসোজোম ভেঙে যায়, তাহলে এই এনজাইমগুলো কোষের অন্যান্য অংগাণুগুলোকে ধ্বংস করে দিতে পারে এবং কোষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।
Answer: (ঘ) লাইসোজোম
Explanation:
লাইসোজোম কোষের পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোকে ভেঙে দেয়। যখন লাইসোজোমের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়, তখন এটি কোষের সুস্থ অংশগুলোকেও ভেঙে ফেলতে পারে। এতে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
গলজি বস্তু, এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা এবং নিউক্লিয়াস কোষের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তবে এগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে না।
Answer: (ক) পর্দাবিহীন
Explanation:
সেন্ট্রোজোম (Centrosome) কোষের একটি পর্দাবিহীন অঙ্গাণু। এটি কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত। সেন্ট্রোজোম কোষ বিভাজনের সময় মাইক্রোটিউবুল সংগঠিত করতে সাহায্য করে। মাইক্রোটিউবুল হলো কোষের একটি অবয়ব যা কোষ বিভাজন, কোষের গঠন এবং কোষের চলাফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে ভূমিকা রাখে।
সেন্ট্রোজোমের মধ্যে দুটি সিলিন্ডার আকৃতির কাঠামো থাকে যাকে সেন্ট্রিওল বলা হয়। সেন্ট্রিওলগুলো মাইক্রোটিউবুল গঠনে সাহায্য করে।
কোষ বিভাজনের সময় সেন্ট্রোজোম কোষের দুই মেরুতে চলে যায় এবং মাইক্রোটিউবুল গঠন করে। এই মাইক্রোটিউবুলগুলো কোষের ক্রোমোজোমগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করে এবং কোষের দুই মেরুতে টেনে নিয়ে যায়। ফলে কোষ বিভাজন সম্পন্ন হয়।
সেন্ট্রোজোম কোষ বিভাজনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেন্ট্রোজোম ছাড়া কোষ বিভাজন সম্পন্ন হতে পারে না।