ব্যবহারকারী ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেটে যে তথ্য শেয়ার করে তাকে Active Digital Footprint বলা হয়।
উদাহরণ:
এই ধরনের তথ্য ব্যবহারকারী নিজে তৈরি করে এবং প্রকাশ করে।