Single Choice Easy

Qনবীগণ কবরে জীবিত, না মৃত?

ID: #16737 ঈমান - বাংলা ইসলামিক কুইজ 217 views
Question Info
#16737Q ID
EasyDifficulty
ঈমান - বাংলা ইসলামিক কুইজTopic

Choose the Best Option

Click any option to instantly check if you're correct.

  • A জীবিত
  • B মৃত
Correct Answer

Explanation

উত্তর: আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদা হলো, নবীগণ তাদের কবরে জীবিত। কোরআন হাদিস ও ফিকহী কিতাবে এই ব্যাপারে অসংখ্যা বর্ণনা রয়েছে। নিম্নে কিছু উল্লেখ করা হলো-

কোরআন পাকে ইরশাদ হচ্ছে, যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তোমরা তাদেরকে মৃত বলো না বরং তারা জীবিত। কিন্তু তোমরা বুঝ না। (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৪)।

উক্ত আয়াত দ্বারা নবীগণও কবরে জিন্দা থাকা প্রমাণিত হয়। কারণ শহীদগণ এই মর্যাদা লাভ করেছে, নবীগণের বদৌলতে। সুতরাং শহীদগণ যদি এই মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়, তাহলে নবীগণ তো অবশ্যই সে মর্যাদায় আরো উন্নত ভাবেই অধিষ্ঠিত হবেন। আমরা এখানে নবীগণ জীবিত থাকার ব্যাপারে কয়েকটি উক্তি তুলে ধরছি।

হাদিসে ইরশাদ হচ্ছে, হজরত আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘নবীগণ তাদের কবরে জীবিত। তারা সেখানে নামাজ পড়েন।’ (মুসনাদে আবী ইয়ালা ৩৪২৫)।

হজরত আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আমি মেরাজের রাতে কাসীবে আহমার স্থান অতিক্রম কালে দেখতে পাই, হজরত মুসা (আ.) তার কবরে নামাজ পড়ছেন।’ (সহিহ মুসলিম ২৩৭৫)।

হজরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা নবীদের দেহকে বক্ষণ করা, মাটির ওপর হারাম করে দিয়েছেন। কেননা নবীগণ জীবিত, তাদেরকে রিজিক দেয়া হয়।’ (ইবনে মাজা ১৬৩৮)।

নবীগণ কবরের মাঝে মৃত্যুবরণ করবে না। বরং তারা জীবিত। নবীগণ ছাড়া সমস্ত সৃষ্টি জীব তারা তাদের কবরে মৃত্যু বরণ করবে এরপর কেয়ামতের দিন জীবিত হবে। (উমদাতুল কারী ১৩/৩০২)।

নিশ্চয় নবীগণ তারা তাদের কবরে জীবিত। এমনকী কেউ কবরের নিকট দরুদ পড়লে তা শুনতে পায়। (মেরকাতুল মাফাতিহ ৩/৪১০)

আয়েম্মায়ে কেরাম তারা তাদের কবরে জীবিত। (ফতুয়ায়ে শামী ৬/২৪০)

এই সমস্ত সুস্পষ্ট দলিল প্রমাণের আলোকে বুঝা যায়। নবীগণ তাদের কবরে জীবিত। তবে তাদের কবরে জীবিত থাকার বিষয়টি হুবহু দুনিয়ার জীবনের মত নয়। বরং কিছু কিছু বিষয়ে দুনিয়ার জীবনের সঙ্গে সাদৃশ্য আছে। যথা, তাদের শরীর সংরক্ষিত থাকা, নামাজ আদায় করা, রিজিক প্রাপ্ত হওয়া, সালাম শুনতে পাওয়া, সালামের উত্তর দেয়া ইত্যাদি।

(তাফসীরে মাজহারি ১/১৭০, বজলুল মাজহুদ ২/১৬০, নাইলুল আওতার ৩/৩৪৪, মারিফুল কুরআন ১/৩৯৭, ফতওয়ায়ে লাজনাতুত দায়িমা ৩/২২৭, বালাদিল হারাম ৪৫৫, আপকি মাসায়েল ১/২৬৪, মাহমুদিয়া ৩/৩০২)। 

Share This Question

Challenge a friend or share with your study group.