- A৮ বছর বয়সে
- B৬ বছর বয়সে
- C৩ বছর বয়সে
- D৫ বছর বয়সে
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
মা : নবীজির মায়ের নাম আমেনা বিনতে ওয়াহাব বিন আবদে মানাফ। তাঁর বংশধারা কিলাব ইবনে মুররা পর্যন্ত গিয়ে কুরাইশ তথা বাবার বংশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনিও মদিনার অত্যন্ত অভিজাত বংশের মেয়ে ছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ছয় বছর বয়সে তাঁর মা ইন্তেকাল করেন। মক্কা-মদিনার মধ্যবর্তী আবওয়া নামক স্থানে তাঁর মৃত্যু হয়। নবী (সা.)-কে নিয়ে তাঁর মামাদের বাড়ি আদি ইবনে নাজ্জার গোত্রে গিয়েছিলেন। ফেরার সময় তিনি ইন্তেকাল করেন। (সিরাতে ইবনে হিশাম, পৃষ্ঠা ৪২)
সুরাকা ইবনে মালেক
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - মিরাজের ঘটনা" নামক শিরোনাম থেকে " বরকতময় ব্যক্তি " নামক শিরোনাম পর্যন্ত]
তাঁর চাচাতো ভাই আবূ সাফিয়্যাহহন বিন হারিস বিন আব্দুল মুত্তালিবও হালীমাহর সূত্র ধরে দুগ্ধ সম্পর্কিত ভাই ছিলেন। নাবী কারীম (ﷺ)’র চাচা হামযাহ বিন আব্দুল মুত্তালিবকেও বনু সা’দ গোত্রের এক মহিলা দুগ্ধ পান করিয়েছিলেন। হালীমাহ গৃহে থাকা অবস্থায় এ মহিলাও একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দুগ্ধ পান করিয়েছিলেন। এ প্রেক্ষিতে নাবী কারীম (ﷺ) এবং হামযাহ (রাঃ) দুধভাই সম্পর্কে সম্পর্কিত হয়ে যান। প্রথম সূত্রে সুওয়াইবার সম্পর্কের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় সূত্রে বনু সা’দ গোত্রে সেই মহিলার মাধ্যমে।
সিরিয়া ছিল বায়যান্টাইন সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় প্রদেশ। এ ছিল রোমকদের সম্প্রসারণশীল ও সাম্রাজ্যলিপ্সু মানসিকতার শিকার, যেখানে কেবল শক্তির জোরে বিদেশীদের মতই শাসন ক্ষমতা চালান হত এবং শাসিত প্রজাবর্গ কখনও স্নেহ ও ভালবাসার মুখ দেখতে পেত না। দারিদ্র্যের অবস্থা ছিল এই যে, অধিকাংশ সিরীয়বাসী তাদের ঋণ পরিশোধের জন্য তাদের শিশু সন্তানদেরকে বিক্রয় করতে বাধ্য হত । বিভিন্ন রকম জুলুম-নির্যাতন, অধিকার হরণ, ক্রীতদাসে পরিণত করা এবং লোকদের বেগার শ্রমদানে বাধ্য করা ছিল সাধারণ রেওয়াজ ।
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: 54]
৪১
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর: ]
হযরত জিবরাঈল আ.
[তথ্যসূত্র: নবীয়ে রহমত - সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম - সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী অনূদিত - পৃষ্ঠা নম্বর:444 ]
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব দীর্ঘ ছিলেন না আবার খাটোও ছিলেন না। তিনি ধবধবে সাদা কিংবা বাদামী বর্ণেরও ছিলেন না। তাঁর চুল একেবারে কোঁকড়ানো ছিল না, আবার একদম সোজাও ছিল না। ৪০ বছর বয়সে আল্লাহ তা’আলা তাকে নবুওয়াত দান করেন। এরপর মক্কায় ১০ বছর এবং মদিনায় ১০ বছর কাটান। আল্লাহ তা’আলা ৬০ বছর বয়সে তাঁকে ওফাত দান করেন। ওফাতকালে তাঁর মাথা ও দাড়ির ২০টি চুলও সাদা ছিল না।[1]
[1] সহীহ বুখারী, হা/৫৯০০; সহীহ মুসলিম, হা/৬২৩৫; মুয়াত্তা মালেক, হা/১৬৩৯; ইবনে মাজাহ, হা/১৩৫৪৩; মুসনাদুল বাযযার, হা/৬১৮৯; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৭৩৫; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৬৩৮৭।
হযরত সুলায়মান (আলাইহিস সালাম) ছিলেন আল্লাহর একজন বিশিষ্ট নবী, যাঁকে অনন্য কিছু ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল। তিনি শুধুমাত্র একজন রাজা ছিলেন না, বরং তাঁর শাসনের বিস্তৃতি ছিল মানুষের পাশাপাশি জিন এবং পশু-পাখির ওপরও। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ তাঁকে জিনদের ওপর এমন এক ক্ষমতা দিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে তিনি তাদের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করতে পারতেন, যেমন—দুর্গ নির্মাণ, পানির নিচে ডুবুরি হিসেবে কাজ করা এবং বিভিন্ন কঠিন কাজ সম্পাদন করা। তিনি পশু-পাখির ভাষা বুঝতে পারতেন এবং তাদের সঙ্গে কথোপকথন করতে পারতেন। এর অন্যতম প্রমাণ কুরআনের সূরা নামলে পাওয়া যায়, যেখানে হুদহুদ পাখির মাধ্যমে তিনি সাবার রানি বিলকিসের সম্পর্কে জানতে পারেন এবং পরে তাঁকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন। তাঁর সেনাবাহিনীতে শুধু মানুষই নয়, বরং জিন ও পশুরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা তাঁর শাসনকে আরও শক্তিশালী ও বিশেষত্বপূর্ণ করেছিল। হযরত সুলায়মান (আলাইহিস সালাম)-এর এই ক্ষমতা প্রমাণ করে যে, আল্লাহ যাঁকে ইচ্ছা করেন, তাঁকে বিশেষ যোগ্যতা ও শক্তি দিয়ে সম্মানিত করেন, এবং সেই ক্ষমতা কেবলমাত্র আল্লাহর অনুগ্রহের মাধ্যমেই সম্ভব।