- Aনূহ আ.
- Bইবরাহীম আ.
- Cইয়াকুব আ.
- Dমূসা আ.
Time Taken:
Correct Answer:
Wrong Answer:
Percentage: %
উত্তর: A) দশ শতাব্দী
আদম (আঃ) থেকে নূহ (আঃ) পর্যন্ত দশ শতাব্দীর ব্যবধান ছিল। যার শেষদিকে ক্রমবর্ধমান মানবকুলে শিরক ও কুসংস্কারের আবির্ভাব ঘটে এবং তা বিস্তৃতি লাভ করে। ফলে তাদের সংশোধনের জন্য আল্লাহ নূহ (আঃ)-কে নবী ও রাসূল করে পাঠান।
উত্তর: A) ৬টি
পৃথিবীতে আদি যুগে ধ্বংসপ্রাপ্ত ৬টি জাতির ঘটনা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত হয়েছে এবং কুরআনের মাধ্যমেই জগদ্বাসী তাদের খবর জানতে পেরেছে। যাতে মুসলিম উম্মাহ ও পৃথিবীবাসী তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে। উক্ত ৬টি জাতি হ’ল- কওমে নূহ, ‘আদ, ছামূদ, কওমে লূত, মাদইয়ান ও কওমে ফেরাঊন। অবশ্য কুরআনে এ তালিকায় কওমে ইবরাহীমের কথাও এসেছে (তওবাহ ৯/৭০)। যদিও তারা একত্রে ধ্বংস হয়নি। তবে ইবরাহীমের ভাতিজা লূত-এর কওম একত্রে ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন হয়েছিল।
উত্তর: B) সত্য
‘আবুল বাশার ছানী’ (ابوالبشرالثانى ) বা মানবজাতির দ্বিতীয় পিতা বলে খ্যাত নূহ (আলাইহিস সালাম) ছিলেন পিতা আদম (আলাইহিস সালাম)-এর দশম অথবা অষ্টম অধঃস্তন পুরুষ। তিনি ছিলেন দুনিয়াতে ১ম রাসূল।[1]
[1]. মুসলিম হা/৩২৭ ‘ঈমান’ অধ্যায় ৮৪ অনুচ্ছেদ। রাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)।
নূহ (আলাইহিস সালাম) কে "আবুল বাশার ছানী’" বা "মানবজাতির দ্বিতীয় পিতা" বলা হয়। তিনি ইসলামের ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ নবী, যিনি আল্লাহর নির্দেশে একটি বিশাল নৌকা নির্মাণ করে মানবজাতিকে প্রলয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন। নূহ (আলাইহিস সালাম) ছিলেন নবী যিনি মানবজাতির মধ্যে ইসলামের বার্তা প্রচার করেন এবং তাঁর সময়ের মানুষদের ঈমানের প্রতি আহ্বান জানান। তাঁর কাহিনী কুরআনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি মুসলমানদের জন্য শিক্ষা এবং উদ্বুদ্ধকরণের উৎস। নূহ (আলাইহিস সালাম) এর জীবন ও শিক্ষা বর্তমান সময়েও মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি সঠিক পথে চলার নির্দেশনা দেয়।
নূহ (আলাইহিস সালাম) ইসলামিক ইতিহাসে প্রথম রাসূল হিসেবে পরিচিত। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী হিসেবে মানবজাতিকে ঈমানের দিকে আহ্বান করেন এবং তাদের মধ্যে ইসলামের বার্তা প্রচার করেন। তাঁর জীবন ও শিক্ষা মুসলমানদের জন্য অনুপ্রেরণা, কারণ তিনি এক আল্লাহর worship করার নির্দেশনা দিয়েছেন এবং কুফরির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। তাঁর কাহিনী কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি বিশ্বাসের শক্তি ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের গুরুত্ব তুলে ধরে।
নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর চারটি পুত্র ছিল: সাম, হাম, ইয়াফিছ ও ইয়াম (কেন‘আন)। এই পুত্রদের মধ্যে সাম, হাম, ও ইয়াফিছ ঈমান আনেন, তবে কেন‘আন ঈমান আনেননি এবং আল্লাহর নির্দেশনা থেকে বিচ্যুত হন। নূহের (আলাইহিস সালাম) এই পুত্রদের কাহিনী মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি শিক্ষা হিসাবে বিবেচিত হয়, যা ইমানের গুরুত্ব এবং আল্লাহর পথে চলার আহ্বান জানায়। কুরআনে তাদের কাহিনী উল্লেখ করা হয়েছে, যা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সরবরাহ করে।
চল্লিশ বছর বয়সে
পবিত্র কুরআনে হযরত নূহ (আলাইহিস সালাম) সম্পর্কে ২৮টি সূরায় ৮১টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। এই আয়াতগুলোতে নূহের জীবনের বিভিন্ন দিক, তাঁর নবুঅত, তাঁর আহ্বান এবং আল্লাহর নির্দেশনা প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। নূহ (আলাইহিস সালাম) ছিলেন প্রথম নবী যিনি মানবজাতির জন্য ইসলামিক বার্তা প্রচার করেন এবং তাঁর জীবনের কাহিনী মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করে। এই আয়াতগুলোতে তাঁর কঠোর পরিশ্রম, প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া এবং আল্লাহর প্রতি তাঁর unwavering বিশ্বাস প্রকাশিত হয়েছে। এটি মুসলিম সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এবং তাদের মধ্যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও নবীদের কাহিনীর গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়।