Table of Contents

    দুরুদ শরীফ

    রাসুল (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। এর মাধ্যমে রহমত ও কল্যাণ বর্ষিত হয়। দরুদের ফজিলত সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন—

     যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি ১০টি রহমত বর্ষণ করেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৪৮৫)

    আরেক হাদিসে হজরত আনাস ইবন মালিক (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তায়ালা তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করবেন, তার ১০টি গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে এবং তার জন্য ১০টি মর্যাদা উন্নীত করা হবে।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১২৯৭)

    যেকোনো সময়, যেকোনো মুর্হূতে দরুদ পড়া যায়। তবে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে দরুদ পড়া সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। নামাজ ছাড়াও অন্যান্য যেকোনো সময় এই দরুদ শরিফ পাঠে রয়েছে মুস্তাহাব সওয়াব।

    উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিউঁ ওয়া আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা আলা ইবরা-হিমা ওয়া আলা আ-লি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক আলা মুহাম্মাদিউঁ ওয়া আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বা-রাকতা আলা ইবরা-হিমা ওয়া আলা আ-লি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। 

    অর্থ : হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার পরিবারবর্গের উপর শান্তি বর্ষণ করো, যেভাবে ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ও তার পরিবারবর্গের উপর শান্তি বর্ষণ করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি অতি প্রশংসিত মহিমান্বিত। 

    হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার পরিবারবর্গের উপর বরকত দান কর, যেভাবে ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ও তার পরিবারবর্গের উপর বরকত দান করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি অতি প্রশংসিত মহিমান্বিত। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১২৯১)