সাধারণ সময়ে মাটি ঋণাত্মক তড়িদ্গ্রস্ত হলেও ঝড়ের মেঘের নীচের দিক প্রবল ঋণাত্মক তড়িদ্গ্রস্ত হওয়ায় আবেশের ফলে মাটিতে ধনাত্মক তড়িৎ জমে। এভাবে তড়িৎ জমতে জমতে মেঘ ও মাটির বিভবপার্থক্য খুব বেশি হলে অত্যন্ত বড়ো স্ফুলিঙ্গের আকারে ঋণাত্মক তড়িদাধান মেঘ থেকে মাটিতে চলে আসে। এর ফলে ক্ষণস্থায়ী কিন্তু প্রবল তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি হয়। এটিই হল বজ্রপাত। এর ফলে বায়ু অত্যন্ত গরম হয়ে ওঠে এবং আলো বিকিরণ করে। এই সময় বাতাসে সাময়িক শূন্যতার সৃষ্টি হয়। এজন্যই বায়ুতে প্রবল কম্পন তৈরি হয় যা বজ্রপাতের সময় শব্দ উৎপন্ন করে।