তাদেরকে সৃষ্টি করার সুনির্দিষ্ট সময় আমাদের জানা নেই। যেহেতু এ বিষয়ে কোন দলিল উদ্ধৃত হয়নি। তবে এটা সুনিশ্চিত যে, তাদেরকে সৃষ্টি করা মানুষকে সৃষ্টি করার আগেই সম্পন্ন হয়েছে। যেহেতু কুরআনের দলিল হচ্ছে: “যখন আপনার প্রতিপালক ফেরেশতাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন: নিশ্চয় আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি সৃষ্টি করব”।[সূরা বাক্বারা, আয়াত: ৩০] অর্থাৎ তিনি তাদের কাছে মানুষ সৃষ্টি করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন। এতে করে প্রমাণিত হয় যে, তারা মানুষের পূর্ব থেকে বিদ্যমান।
ফেরেশতাদের সৃষ্টির বিশালত্ব
আল্লাহ্ তাআলা জাহান্নামের ফেরেশতাদের সম্পর্কে বলেন: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে (জাহান্নামের) আগুন থেকে রক্ষা কর যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর, যার দায়িত্বে নিয়োজিত আছে নির্দয় ও কঠোর ফেরেশতারা। তারা আল্লাহ্র নির্দেশ অমান্য করে না এবং যা করার নির্দেশ পায় তাই করে।”[সূরা তাহরীম, আয়াত: ৬]
সবচেয়ে বড় ফেরেশতা হচ্ছেন জিব্রাইল (আঃ)। তাঁর বর্ণনা সম্পর্কে এসেছে: আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিব্রাইলকে তার সআকৃতিতে দেখেছেন। তার আছে ছয়শটি ডানা। প্রত্যেক ডানা দিগন্ত জুড়ানো। তার ডানা থেকে যে অলংকার, মনি-মুক্ত ঝরে পড়ে এর সংখ্যা সম্পর্কে আল্লাহ্ই সম্যক অবগত।”[মুসনাদে আহমাদ, ইবনে কাছির ‘আল-বিদায়া’-তে বলেন: এর সনদ জায়্যিদ (ভালো)]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিব্রাইল আলাইহিস সালামের বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন: “আমি তাকে আসমান থেকে অবতরণ দেখেছি এবং তার বিশাল আকৃতি আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণ করেছিল।”[সহিহ মুসলিম (১৭৭)]
বিশাকালার ফেরেশতাদের মধ্যে রয়েছে আরশ বহনকারীরা। তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে: জাবির বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: “আমাকে আরশ বহনকারী আল্লাহ্র ফেরেশতাগণ সম্পর্কে আলোচনা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তার কানের লতি থেকে কাঁধ পর্যন্ত সাতশত বছরের রাস্তা”।[সুনানে আবু দাউদ, সুন্নাহ অধ্যায়, জাহমিয়্যা পরিচ্ছেদ]
First read the answer fully, then try to explain it in your own words. After that, open a few related questions and compare the concepts. This method helps you remember the topic for a longer time and improves exam preparation.