আল্লাহ্ তাআলা ফেরেশতাদেরকে বিপুল ক্ষমতা দান করেছেন; এর মধ্যে রয়েছে:
ভিন্ন আকৃতি ধারণ করার ক্ষমতা:
আল্লাহ্ ফেরেশতাদেরকে তাদের আকৃতি ছাড়া অন্য আকৃতি ধারণ করার ক্ষমতা দিয়েছেন। আল্লাহ্ তাআলা মারিয়াম আলাইহিস সালামের কাছে জিব্রাইল আলাইহিস সালামকে মানুষের আকৃতিতে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন: “তখন আমি তার কাছে আমার রূহ (ফেরেশতা জিব্রাইল)-কে প্রেরণ করলাম। সে তার সামনে এক সুঠাম মানুষের আকারে আত্মপ্রকাশ করল।”[সূরা মারিয়াম, আয়াত: ১৭]
ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের কাছেও ফেরেশতারা মানুষের আকৃতিতে এসেছেন। তিনি বুঝতে পারেননি যে, তারা ফেরেশতা। অবশেষে তারাই তাঁকে জানিয়েছেন। অনুরূপভাবে ফেরেশতারা লুত আলাইহিস সালামের কাছে এসেছেন সুদর্শন যুবকদের চেহারায়। জিব্রাইল আলাইহিস সালাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একাধিক আকৃতিতে আসতেন। কখনও আসতেন দিহয়া আল-কালবী নামক সাহাবীর আকৃতিতে। তিনি সুদর্শন ছিলেন। কখনও বেদুঈন (মরুবাসী)-এর আকৃতিতে আসতেন। সাহাবীরা তাকে মানুষের আকৃতিতেই দেখেছেন যেমনটি সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর হাদিসে এসেছে যে, একদা আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ছিলাম। এমন সময় একজন লোক আমাদের কাছে এসে হাযির হলেন যার পরিধানের কাপড় ছিল ধবধবে সাদা এবং মাথার কেশ ছিল কুচকুচে কালো। তাঁর মধ্যে সফরের কোন আলামত ছিল না। কিন্তু আমাদের কেউ তাঁকে চিনে না। তিনি নিজের দুই হাঁটু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুই হাঁটুর সাথে লাগিয়ে বসলেন। আর তার দুই হাত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুই উরুর উপরে রাখলেন। তারপর তিনি বললেন: হে মুহাম্মদ! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে অবহিত করুন...। হাদিসটির শেষ পর্যন্ত।[সহিহ মুসলিম (৮)]
এটি ছাড়াও অন্য অনেক হাদিস রয়েছে; যেগুলো প্রমাণ করে যে, ফেরেশতারা মানুষের আকৃতি ধারণ করে। যেমন একশ জন মানুষকে হত্যাকারী ব্যক্তির হাদিসটি। সে হাদিসে রয়েছে: “তাদের কাছে মানুষের আকৃতিতে একজন ফেরেশতা এলেন”। এছাড়া শ্বেতীরোগে আক্রান্ত, টাকমাথা ও অন্ধ লোকের ঘটনা সম্বলিত হাদিসটি।
First read the answer fully, then try to explain it in your own words. After that, open a few related questions and compare the concepts. This method helps you remember the topic for a longer time and improves exam preparation.