✏️ Explanatory Question

ফরয কি?

👁 106 Views
📘 Detailed Answer
🟢 Easy
💡

Answer with Explanation

ফরয : অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত বিধানকে ফরয বলা হয়। ওযর ব্যতিরেকে ফরয পরিত্যাগকারী ব্যক্তি ফাসিক ও শাস্তির যোগ্য। যে ব্যক্তি ফরযকে অস্বীকার করে সে কাফির। ফরয আবার দু'প্রকার: ফরযে 'আইন ও ফরযে কিফায়া।

ফরযে 'আইন: এরূপ বিধানকে বলা হয়, যা প্রত্যেকের করা আবশ্যক। যে ব্যক্তি বিনা ওযরে এরূপ ফরয তরক করে সে শাস্তিরযোগ্য ও ফসিক। যেমন: পাঁচ ওয়াক্ত নামায, জুমুআর নামায ইত্যাদি।

ফরযে কিফায়া: এরূপ বিধানকে বলা হয়, যা প্রত্যেকের করা আবশ্যক

নয়। কিছু লোকের পালন করার দ্বারা এরূপ ফরয আদায় হয়ে যায়। তবে কেউ যদি তা পালন না করে, তবে সবাই গুনাহগার হয়। যেমন- জানাযার নামায ইত্যাদি।


ফরয فرض - ফরীযা فريضة

১। অবশ্য করণীয়, বাধ্যতামূলক, বৈশিষ্ট্যময়, নির্দিষ্ট, মহর ইত্যাদি।৩

২। অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত শরিয়তের আদেশ ও নিষেধ। ইহা অস্বীকার করলে কাফির হয় এবং আমল না করলে 'আযাব পায়। ইহা দুই প্রকার: ফরয আইন ) فَرْضُ عَبْن( ও ফরয কিফায়া ) فَرْضُ كِفَابَةٌ (। প্রত্যেকের জন্য ব্যক্তিগতভাবে যা অবশ্য করণীয় তাকে "ফরয আইন” বলা হয়। যেমন- ঈমান, সালাত, সাওম ইত্যাদি। সামগ্রিকভাবে সমষ্টির জন্য যা অবশ্য করণীয় তা পালিত হলে ব্যক্তির দায়িত্ব পালন হয়ে যায়। যেমন- জানাযার নামায, জিহাদ ইত্যাদি। এ ধরনের ফরযকে ফরয কিফায়া বলা হয়।৪

৩। ফরয )فرض(-এর বহুবচন ফিরায )زراض( ও ফুরুষ ) فروض (। ফরীয )فريضة(-এর বহুবচন ফরায়েয )فَرَائِض( + শরীয়তের পরিভাষায় মীরাছ বণ্টনের বিদ্যাকে ইলমূল ফরায়েয ) عِلْمُ الْفَرَائِضِ ( বলা হয়।

৪। কুরআনে ফরীযা ) فَرِيضَة( শব্দটি ৬ বার, মাফরূয ) مفروض ( ২ বার, A ক্রিয়ায় ৯ বার ব্যবহৃত হয়েছে। কয়েকটি উদ্ধৃতি: