উত্তর: Database Management System বা DBMS-এর প্রেক্ষিতে রিডানডেন্সি বা Data Redundancy তখন ঘটে, যখন একই ডেটা বা একই তথ্য একাধিক স্থানে, একাধিক ফাইলে অথবা একাধিক টেবিলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার সংরক্ষণ করা হয়। অর্থাৎ, কোনো একটি তথ্য যদি একবার সংরক্ষণ করলেই যথেষ্ট হয়, কিন্তু সেটি বারবার বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়, তখন তাকে রিডানডেন্সি বলা হয়।
রিডানডেন্সি সাধারণত পুরনো File-Based System বা Legacy System-এ বেশি দেখা যায়, কারণ সেখানে ডেটা একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয় না। বরং প্রতিটি বিভাগ বা কাজের জন্য আলাদা আলাদা ফাইল তৈরি করা হয়। ফলে একই তথ্য অনেক ফাইলে পুনরাবৃত্তি হয়ে যায়।

রিডানডেন্সি তখন ঘটে, যখন একই ডেটা একাধিক ফাইল বা একাধিক স্থানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার সংরক্ষণ করা হয়। File-Based System-এ বিভিন্ন বিভাগ আলাদা আলাদা ফাইল ব্যবহার করার কারণে একই তথ্য অনেকবার লেখা হয়। এর ফলে storage space অপচয় হয় এবং data inconsistency সৃষ্টি হতে পারে।
ধরা যাক, একটি বিদ্যালয়ে ছাত্রদের তথ্য আলাদা আলাদা ফাইলে রাখা হয়। যেমন, একটি ফাইলে ছাত্রের সাধারণ তথ্য, আরেকটি ফাইলে ফি-এর তথ্য, আরেকটি ফাইলে পরীক্ষার ফলাফল এবং আরেকটি ফাইলে উপস্থিতির হিসাব রাখা হয়। এখন যদি প্রত্যেকটি ফাইলে একই ছাত্রের নাম, রোল নম্বর এবং শ্রেণি বারবার লেখা থাকে, তাহলে সেটিই রিডানডেন্সি।
অর্থাৎ, একই ছাত্রের একই তথ্য বারবার সংরক্ষণ করার ফলে ডেটার পুনরাবৃত্তি ঘটে। এই পুনরাবৃত্তিই হলো Data Redundancy।
ধরা যাক, একটি স্কুলে একজন ছাত্রের নাম Rahul, রোল নম্বর 15 এবং শ্রেণি Class 10। এই তথ্যগুলো নিচের বিভিন্ন ফাইলে রাখা হয়েছে:
এখানে একই ছাত্রের নাম, রোল নম্বর এবং শ্রেণি একাধিক ফাইলে বারবার লেখা হয়েছে। তাই এখানে Data Redundancy ঘটেছে।
DBMS-এর মূল উদ্দেশ্যগুলোর একটি হলো ডেটার পুনরাবৃত্তি কমানো। DBMS-এ ডেটা সাধারণত টেবিল আকারে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করা হয়। এখানে একই তথ্য বারবার না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ, একটি Student table-এ ছাত্রের নাম, রোল এবং শ্রেণি রাখা যায়। এরপর Fee table, Result table এবং Attendance table-এ শুধু student ID বা roll number ব্যবহার করে সেই ছাত্রের তথ্যের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা যায়। এতে একই তথ্য বারবার লিখতে হয় না।
| বিষয় | File-Based System | DBMS |
|---|---|---|
| ডেটা সংরক্ষণ | আলাদা আলাদা ফাইলে | কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে |
| একই ডেটার পুনরাবৃত্তি | বেশি ঘটে | কম ঘটে |
| ডেটা আপডেট | প্রতিটি ফাইলে আলাদা করে করতে হয় | কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় |
| Storage Space | বেশি অপচয় হয় | কম অপচয় হয় |
| Data Consistency | বজায় রাখা কঠিন | বজায় রাখা তুলনামূলক সহজ |
শিক্ষক ছাত্রদের এভাবে বুঝাতে পারেন:
ধরা যাক, তোমার নাম একটি স্কুলের চারটি আলাদা খাতায় লেখা আছে—ভর্তি খাতা, ফি খাতা, রেজাল্ট খাতা এবং উপস্থিতির খাতা। যদি তোমার ঠিকানা পরিবর্তন হয়, তাহলে চারটি খাতাতেই ঠিকানা পরিবর্তন করতে হবে। যদি একটি খাতায় পরিবর্তন করা হয় এবং অন্য খাতায় না করা হয়, তাহলে ভুল তথ্য থেকে যাবে।
এই একই তথ্য বারবার বিভিন্ন খাতায় লেখা থাকাই হলো রিডানডেন্সি। কম্পিউটারের File-Based System-এও একই ঘটনা ঘটে, যখন একই ডেটা বারবার বিভিন্ন ফাইলে রাখা হয়।
প্রথমে রিডানডেন্সির সংজ্ঞা লিখবে।
তারপর লিখবে যে একই ডেটা একাধিক স্থানে থাকলে রিডানডেন্সি ঘটে।
এরপর File-Based System বা school database-এর একটি উদাহরণ দেবে।
শেষে লিখবে যে রিডানডেন্সির ফলে storage অপচয়, update problem এবং data inconsistency দেখা দিতে পারে।
একই ডেটা যদি বারবার বিভিন্ন স্থানে সংরক্ষণ করা হয়, তখনই রিডানডেন্সি ঘটে।
রিডানডেন্সি তখন ঘটে, যখন একই ডেটা অপ্রয়োজনীয়ভাবে একাধিক ফাইল, টেবিল বা স্থানে বারবার সংরক্ষণ করা হয়। পুরনো File-Based System-এ প্রতিটি বিভাগ আলাদা আলাদা ফাইল ব্যবহার করত, তাই একই তথ্য অনেক ফাইলে পুনরায় লেখা হতো। উদাহরণস্বরূপ, একটি বিদ্যালয়ে একজন ছাত্রের নাম ও রোল নম্বর student file, fee file, result file এবং attendance file-এ বারবার থাকতে পারে। এর ফলে storage space অপচয় হয়, তথ্য update করা কঠিন হয় এবং data inconsistency দেখা দিতে পারে। DBMS ডেটাকে কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করে এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে রিডানডেন্সি কমাতে সাহায্য করে।