মাতম –এর ধর্মীয় বৈধতা ও তার বিরোধিতা

Rumman Ansari   Software Engineer   2025-07-14 10:37:05   188  Share
Subject Syllabus DetailsSubject Details
☰ TContent
☰Fullscreen

Table of Content:

রবুল্লাহ ﷺ-এর মাধ্যমে মারাত্মক শোক ও কান্না

  • ‘হামজা (রাঃ) মাতাম:
    মুফাসসির ও সিরাহ-লিখকরা বর্ণনা করেছেন, হুদয়বিয়ার ঘটনা পর নবী ﷺ হামজা (রাঃ)-এর জন্য গম্ভীর কান্না করেছিলেন, তাঁর বুক ফেটে যাওয়ার মতো কষ্ট অনুভব হয়েছিল। এই কান্না “দুঃখ আর আবেগের প্রকাশ” ছিল, কোন প্রকার আত্মহানি নয়— এবং এটি রাহমাতের দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

নীতি: প্রকৃত দুঃখ-প্রকাশ (কান্না, শোক) হলো বৈধ—তবে যদিও খুব গভীর, এতে কোনো কর্মযজ্ঞ ঘটে না।

"রবুল্লাহ" শব্দটি আসলে "রাসূলুল্লাহ" এর একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যা আরবি শব্দ "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" (صَلَّىٰ ٱللَّٰهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ) এর সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ "আল্লাহ তার উপর শান্তি বর্ষণ করুন" এবং এটি সাধারণত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নামের সাথে ব্যবহার করা হয়। 


আত্মঘাতী বা আত্মক্ষতি – সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ

  • আত্মঘাতী হত্তয়া ও নিজেরকে ক্ষত করা—এগুলো ইসলাম স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করেছে।

    • “নিজেকে হত্যা করিও না…” ([সূরা নিসা, আয়াত ২:২৯])

    • “নিজে বা অন্যকে ক্ষতি করিও না”

নীতি: যদি মাতমের সময় শারীরিক ক্ষতি ঘটে—এই কাজ হারাম।


✔️ সারাংশ

আচরণ বৈধ/হারাম সূত্র ও মন্তব্য
কান্না, আবেগ, বুক ধরা বৈধ নবী ﷺ নিজেও করেছেন, এটি মানবিক শোকের অংশ
চেঁচিয়ে, আত্মক্ষতি, বস্ত্র ছিঁড়ে হারাম নবী ﷺ নিষেধ করেছেন
গলা বা বুক ভালোভাবে চাপা বৈধ কিছু হালকা আবেগজনিত প্রকাশ, শারীরিক ক্ষতি না হলে সমস্যা নেই
Tatbir, chains, swords with blood অধিকাংশ শায়েখ হারাম বিবেচনা করেন কারণ এতে শারীরিক ক্ষতি ও অপমান যুক্ত


"ইসলামী প্রশ্নোত্তর কোর্সে আপনি ইসলামী ধর্মের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। এই অনলাইন কোর্সে আপনি কুরআন, হাদীস, ইসলামী ইতিহাস, ও আরও বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন।"


Stay Ahead of the Curve! Check out these trending topics and sharpen your skills.