উত্তর: Database Management System বা DBMS ব্যবহারের পূর্বে কম্পিউটারভিত্তিক তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহৃত হতো, তাকে Legacy System বা পুরনো File-Based System বলা হয়। এই পদ্ধতিতে তথ্যসমূহ কোনো কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয় না; বরং পৃথক পৃথক ফাইলের মাধ্যমে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা হয়।
File-Based System-এ প্রতিটি বিভাগ বা কাজের জন্য আলাদা ফাইল তৈরি করা হয় এবং সেই ফাইল ব্যবহারের জন্য আলাদা প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, ডেটা এবং প্রোগ্রাম একে অপরের উপর নির্ভরশীল থাকে। ফলে কোনো ফাইলের গঠন বা তথ্য পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামেও পরিবর্তন আনতে হতে পারে।
সহজ ভাষায় বলা যায়, File-Based System হলো এমন একটি পুরনো তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি, যেখানে তথ্যগুলো এক জায়গায় না থেকে বিভিন্ন ফাইলে ছড়িয়ে থাকে। এই কারণে তথ্য খুঁজে পাওয়া, পরিবর্তন করা, নিরাপদ রাখা এবং সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
Legacy System বা File-Based System হলো DBMS আসার পূর্বে ব্যবহৃত একটি পুরনো ডেটা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যেখানে তথ্য আলাদা আলাদা ফাইলে সংরক্ষণ করা হয়। এই পদ্ধতিতে কোনো কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা SQL-এর মতো query language থাকে না। ফলে data redundancy, data inconsistency, data isolation, security problem এবং backup recovery problem দেখা দেয়।
DBMS হলো একটি সফটওয়্যার ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ডেটা সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তন, অনুসন্ধান এবং সুরক্ষিত রাখা যায়। কিন্তু Legacy File-Based System-এ এই ধরনের উন্নত সুবিধা থাকে না। সেখানে প্রতিটি ফাইল স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং বিভিন্ন ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা কঠিন হয়।
ধরা যাক, একটি বিদ্যালয়ে DBMS ব্যবহার করা হয় না। সেখানে বিভিন্ন তথ্য আলাদা আলাদা ফাইলে সংরক্ষণ করা হয়।
এখানে দেখা যাচ্ছে, একই ছাত্রের নাম ও রোল নম্বর একাধিক ফাইলে বারবার লেখা হচ্ছে। যদি কোনো ছাত্রের ঠিকানা বা নাম পরিবর্তন হয়, তবে প্রতিটি ফাইলে আলাদাভাবে পরিবর্তন করতে হবে। কোনো একটি ফাইলে পরিবর্তন না করলে তথ্যের অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হবে। এ ধরনের সমস্যাই File-Based System-এর প্রধান দুর্বলতা।
শিক্ষক ছাত্রদের বিষয়টি এভাবে বুঝাতে পারেন:
ধরা যাক, একটি বিদ্যালয়ে সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় রেজিস্টারে না রেখে আলাদা আলাদা খাতায় রাখা হয়েছে।
এখন যদি কোনো ছাত্রের সম্পূর্ণ তথ্য জানতে হয়, তাহলে প্রতিটি খাতা আলাদাভাবে খুলে তথ্য খুঁজতে হবে। এতে সময় বেশি লাগবে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে।
কিন্তু DBMS ব্যবহার করলে সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। তখন ছাত্রের রোল নম্বর ব্যবহার করে সহজেই তার নাম, ফি, ফলাফল, উপস্থিতি এবং library record একসাথে পাওয়া যায়।
| বিষয় | File-Based System | DBMS |
|---|---|---|
| ডেটা সংরক্ষণ | আলাদা আলাদা ফাইলে সংরক্ষিত হয় | কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয় |
| Data Redundancy | বেশি থাকে | কম থাকে |
| Data Consistency | বজায় রাখা কঠিন | সহজে বজায় রাখা যায় |
| Query Language | নেই | SQL ব্যবহার করা যায় |
| Security | তুলনামূলকভাবে দুর্বল | তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী |
| Backup and Recovery | কঠিন | সহজ ও কার্যকর |
| Relationship | তৈরি করা কঠিন | Primary Key ও Foreign Key দ্বারা তৈরি করা যায় |
| Central Control | কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নেই | DBA দ্বারা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ থাকে |
প্রথমে Legacy System বা File-Based System-এর সংজ্ঞা লিখতে হবে।
এরপর উল্লেখ করতে হবে যে এটি DBMS আসার পূর্বের ডেটা সংরক্ষণ পদ্ধতি।
তারপর একটি বাস্তব উদাহরণ দিতে হবে, যেমন বিদ্যালয় বা ব্যাংকের তথ্য সংরক্ষণ।
এরপর File-Based System-এর কয়েকটি সীমাবদ্ধতা লিখতে হবে।
শেষে লিখতে হবে যে এই সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করার জন্য DBMS ব্যবহৃত হয়।
Legacy File-Based System হলো এমন একটি পুরনো তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি, যেখানে তথ্য পৃথক পৃথক ফাইলে থাকে এবং কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের অভাবে redundancy, inconsistency ও security problem দেখা দেয়।
Database Management System-এর প্রেক্ষিতে Legacy System বা File-Based System হলো DBMS ব্যবহারের পূর্বে প্রচলিত একটি পুরনো ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে তথ্য কোনো কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে না রেখে পৃথক পৃথক ফাইলে সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি ফাইল ব্যবহার করার জন্য আলাদা প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় এবং বিভিন্ন ফাইলের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করা কঠিন হয়। ফলে data redundancy, data inconsistency, data isolation, security problem, backup and recovery problem এবং multi-user access problem দেখা দেয়। এই সকল সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য আধুনিক Database Management System বা DBMS ব্যবহৃত হয়।