উত্তর ঃ বদর যুদ্ধে পরাজিত মুশরিকরা পূর্ণ এক বছর পর যখন তাদের কিছুটা ক্ষয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠল, তখন তাদের মধ্যে প্রতিশোধ গ্রহণের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো। এবার তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মদীনা আক্রমণের পরিকল্পনা করলো। এ উদ্দেশ্যে তারা ৩০০০ (তিন হাজার) যুবকের এক বিশাল সৈন্য বাহিনী ও পর্যাপ্ত সমরোপকরণ নিয়ে মদীনা অভিমুখে যাত্রা করলো।
তাঁদের সমরোপকরণের মধ্যে ছিল ৭০০ শত লৌহবর্ম, ২০০ শত অশ্ব ও ৩০০০ উট। আর রণক্ষেত্রে সৈনিকদেরকে যুদ্ধে উত্তেজিত করা এবং পলায়ন পর সৈনিকদিগকে অভিশাপ ও তিরস্কারে লজ্জিত করার জন্যে ১৪ জন মহিলা গায়িকাকেও সঙ্গে নিয়েছিল ।
এদিকে নবী করীম (সা.) এর চাচা হযরত আব্বাস (রা.) যিনি এর পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু মক্কাতেই অবস্থান করছিলেন, সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ পরিস্থিতি লিখে দ্রুতগামী এক দূতের মাধ্যমে মহানবী (সা.) এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) দু'জনকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের নিমিত্তে আগে পাঠিয়ে দিলেন। তাঁরা ফিরে এসে মদীনায় কুরাইশ বাহিনী পৌঁছে যাওয়ার সংবাদ দিলো। যেহেতু শহরের উপর আক্রমণের সম্ভাবনা ছিলো, এজন্যে সব দিকে পাহারাদার নিযুক্ত করে দিলেন। সকল সাহাবায়ে কিরামের সঙ্গে পরামর্শের পর সাহাবীদের এক জামাআত নিয়ে মদীনার বাইরে গমন করলেন। এদের মধ্যে মুনাফিক সরদার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এবং তার অনুসারী ৩০০ শত মানুষও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু এরা সকলে রাস্তা হতেই ফিরে গেলো। এখন মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা দাড়াল ৭০০ শত ।
First read the answer fully, then try to explain it in your own words. After that, open a few related questions and compare the concepts. This method helps you remember the topic for a longer time and improves exam preparation.