১. সেলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন : স্প্রেডশিটের একটি সেলকে অপর একটি সেলের সাথে সম্পর্কযুক্ত করা যায়। অর্থাৎ একটি ঘরের মান পরিবর্তিত হলে ঐ ঘরের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য ঘরের মানও স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরিবর্তিত হয়।
২. শিটের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন : স্প্রেডশিটে একটি ওয়ার্কশিটের সাথে অপর একটি ওয়ার্কশিটের সম্পর্ক স্থাপন করা যায়। এক্ষেত্রে একটিতে পরিবর্তন হলে ঐ ওয়ার্কশিটের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য শিটের মানও স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরিবর্তিত হয়।
৩. স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলার ব্যবহার : স্প্রেডশিটে অনেক আধুনিক এবং এতে স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলা ব্যবহার করা যায়।
৪. ফাংশনের ব্যবহার : বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে ৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৮৫টি ফাংশন রয়েছে। এদের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাকে খুব সহজে সমাধান করা যায়। তাছাড়া ব্যবহারকারীরা ইচ্ছা করলে প্রয়োজনীয় ফাংশন তৈরি করে নিতে পারে ।
৫. ম্যাক্রো এর ব্যবহার : স্প্রেডশিটে রয়েছে ম্যাক্রো ব্যবহারের সুবিধা এবং ব্যবহারযোগ্য ম্যাক্রো। একই কাজ বারবার করতে হয় এমন সব কাজের সমষ্টিকে Macro তৈরির মাধ্যমে একটি Single Action- এ রূপান্তর করে পরবর্তীতে যতবার ইচ্ছা ব্যবহার করা যায়।
৬. শর্তের সহজ বিশ্লেষণ : সঠিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অনেক সময় গাণিতিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি যুক্তিগত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হয়। স্প্রেডশিট এখানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
৭. সেলের সাইজ পরিবর্তন : স্প্রেডশিটে ইচ্ছামতো সেলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ পরিবর্তন করা যায় ।
৮. গ্রাফ বা চার্টের ব্যবহার: স্প্রেডশিটে গ্রাফ বা চার্ট ব্যবহারের মাধ্যমে খুব আকর্ষণীয়ভাবে তথ্যকে উপস্থাপন করা যায়।
৯. ডেটাবেজের ব্যবহার : স্প্রেডশিটে অন্য কোনো ডেটাবেজ প্রোগ্রামে ব্যবহৃত ফাইল নিয়ে কাজ করা যায়। ফলে দক্ষ ডেটাবেজ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তথ্যের দ্রুত নির্ভুল এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায়।
১০. বিভিন্ন রকম ফন্টের ব্যবহার : ডকুমেন্টের আকর্ষণীয়তা এবং বৈচিত্রতা বাড়ানোর জন্য এখানে নানা রকম ফন্ট ব্যবহার করা যায়।
১১. ছবি ও শব্দের সংযোজন : তথ্যকে সহজে বোঝানোর জন্য এখানে নানারকম ছবি ও শব্দ সংযোজন করা যায়।
First read the answer fully, then try to explain it in your own words. After that, open a few related questions and compare the concepts. This method helps you remember the topic for a longer time and improves exam preparation.