১. ওয়ার্ড প্রসেসর প্যাকেজ ব্যবহার করে সহজে কোনো ডকুমেন্ট তৈরি করা যায়।
২. মেমোরিতে লিপি সংরক্ষণ (save) এবং প্রয়োজনে সংরক্ষিত লিপির অনুলিপি (copy) প্রস্তুত করা যায়।
৩. মেমোরিতে সংরক্ষিত ডকুমেন্ট বা ফাইল প্রিন্টারের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট করা যায় অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রেরণ করা যায়।
৪. লেখার মাঝখানে নতুন কোনো লেখা সন্নিবেশিত করা যায় এবং অপ্রয়োজনীয় কোনো লেখা মুছে দেয়া যায় ।
৫. কোনো ফাইলে লেখার যে কোনো অংশ অন্য যে কোনো অংশে কপি বা স্থানান্তর করা যায় ।
৬. এক ফাইলের লেখা অন্য ফাইলে যে কোনো অংশে কপি বা স্থানান্তর করা যায়।
৭. বানান ভুল ও ব্যাকরণগত ভুল নির্ণয় ও সংশোধণ করা যায়।
৮. ডকুমেন্টের মাঝে যে কোনো শব্দের পরিবর্তে নতুন শব্দ প্রতিস্থাপন (Replace) করা যায়।
৯. ডকুমেন্টের মাঝে যে কোনো অংশ ব্লক করে Bold, Underline, Italic, Shadow ইত্যাদি করা যায়।
১০. ডকুমেন্টের যে কোনো শব্দ, বাক্য ও অংশের ফন্ট পরিবর্তন করা যায়।
১১. এক্ষেত্রে সর্টিং, সার্চিং, মেইলমার্জ, শর্ট হ্যান্ড ও গাণিতিক সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
১২. প্রয়োজনে ডকুমেন্টকে কম্পিউটার মেমোরিতে সংরক্ষণ করা যায় ।
১৩. প্রোগ্রাম ব্যবহারের মাধ্যমে লেখার বানান ভুল সংশোধন করা যায় ।
১৪. প্রিন্টারের সাহায্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি ছাপানো যায় ।
উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও ওয়ার্ডপ্রসেসর প্যাকেজের ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা অনেক। বর্তমানে আমাদের দেশে সাধারণ টাইপ রাইটারের বদলে ওয়ার্ড প্রসেসর এর ব্যবহারও দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে আমাদের দেশের মুদ্রণ শিল্পে এর ব্যবহার ব্যাপক রয়েছে।