উত্তর: বিভিন্ন ঘটনা ও বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর যন্ত্রণার রেশ বা সেই 'উষ্ণতা' অত্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে। এর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. ১০০ বছর পরের অবস্থা:, বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি মৃত্যুর ১০০ বছর পর আল্লাহর হুকুমে কবর থেকে জীবিত হয়ে বেরিয়ে এসে জানিয়েছিলেন যে, তার ইন্তেকালের ১০০ বছর পার হয়ে গেলেও মৃত্যুর উষ্ণতা (গরম ভাব) এখনও শেষ হয়নি। তিনি মানুষের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যেন তারা আল্লাহর কাছে দোয়া করে তাকে আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। (উৎস: মাওলানা মুহাম্মদ ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযবী রচিত "মৃত্যুর স্বাদ" পুস্তিকা, পৃষ্ঠা ৯-১০)
২. হাজার বছরের তিক্ততা: হযরত সাম বিন নূহ (আ.)-কে যখন হযরত ঈসা (আ.) জীবিত করেছিলেন, তখন তিনি জানিয়েছিলেন যে, তার দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার ৪০০০ বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও মৃত্যুর তিক্ততা বা যন্ত্রণা এখনও শেষ হয়নি। (উৎস: মাওলানা মুহাম্মদ ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযবী রচিত "মৃত্যুর স্বাদ" পুস্তিকা, পৃষ্ঠা ৭-৮)
৩. দুনিয়াবী আঘাতের সাথে তুলনা:, দুনিয়াতে আমরা কোনো আঘাত পেলে তার ব্যথা বা ক্ষত কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে যায়। কিন্তু মৃত্যুর সময় আত্মা বের হওয়ার যে তীব্র যন্ত্রণা, তার রেশ হাজার বছরেও শেষ হয় না। এই দীর্ঘস্থায়ী কষ্টের ভয়াবহতা বিবেচনা করে প্রতিটি মানুষের উচিত মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করা এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা। (উৎস: মাওলানা মুহাম্মদ ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযবী রচিত "মৃত্যুর স্বাদ" পুস্তিকা, পৃষ্ঠা ১০)